বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনচট্টগ্রাম বন্দরে ডগ স্কয়াড দিয়ে তল্লাশি

চট্টগ্রাম বন্দরে ডগ স্কয়াড দিয়ে তল্লাশি

চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে কোন ধরনের বিস্ফোরক, অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক যেন সন্ত্রাসীদের কাছে পৌঁছাতে না পারে সে লক্ষ্যে বিজিবির ডগ স্কয়াড দিয়ে বন্দরের জেটিতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সোমবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে বন্দরের ৮ নম্বর শেড থেকে এ তল্লাশি অভিযান শুরু হয়।  তিনটি কুকুর দিয়ে আলাদাভাবে এ অভিযান চালানো হচ্ছে। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর অভিযানের মূল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়া বন্দর, কাস্টমস সহ অন্যান্য সরকারি সংস্থা অভিযানে সহায়তা করছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জঙ্গি হামলার প্রেক্ষিতে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে আসিয়ান ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৩৩টি দেশের মতো বাংলাদেশেও চলছে কম্বিং অপারেশন ‘আইরিন’।  গত ৮ জুলাই থেকে বাংলাদেশে এ অভিযান শুরু হয়। মূলত দেশের বিমান, স্থল, নৌ বন্দরগুলোতে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউসিও) অধীনে ‘রিজিওনাল ইন্টেলিজেন্স লিয়াজোঁ অফিস ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক’ (রাইলো এপি) এ অভিযানের সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছে। এর আগে গত ৩ দিন চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে এ তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।  তবে সেখানে অভিযানে উল্লেখ্যযোগ্য কিছু পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রাম বন্দরে সোমবার থেকে শুরু হওয়া অভিযান দুইদিন চলবে। অভিযানের অংশ হিসেবে সকাল থেকেই বিজিবির ডগ স্কয়াড দিয়ে বন্দরের অভ্যন্তরে জেটিতে তল্লাশি চলছে। তবে দুপুর একটা পর্যন্ত বিস্ফোরক, অস্ত্র বা মাদক ধরনের কিছু পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হোসাইন আহমেদ।

তিনি জানান, রাইলোর নির্দেশে বিশ্বের ৩৩টি দেশের মতো বাংলাদেশের এ অভিযান চলছে। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর অভিযান পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে।  মূলত বন্দর ব্যবহার করে কোন ধরনের বিস্ফোরক, অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক যেন সন্ত্রাসীরা আমদানি করতে না পারে বা খালাস করতে না পারে সে উদ্দেশে অভিযান চালানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ