ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি আবার কখনো মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে পানি জমে ঢাকার বিভিন্ন রাস্তায় তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। দেখা যাচ্ছে পানির ঢেউ। রাস্তায় পানি জমে থাকায় রাত থেকেই যানাবাহন চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন পরিবহণ শ্রমিকরা। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় পানির কারণে সিএনজি চালিত অটোরিকশা বিকল হয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
মোহাম্মাদপুর হাউজিং লিমিটেডের ৮ নম্বর রোড পুরোটা পানির নিচে ডুবে আছে। নূরজাহান রোডের ভেতরে ছোট ছোট রাস্তাগুলো পানিতে সয়লাব। শিয়া মসজিদ সোনালী সংঘ মাঠের সামনের অংশ, মোহাম্মদপুর হাউজিং এর অংশবিশেষ,বছিলা রোডের অংশবিশেষ পানিতে ডুবে গেছে।
রাজধানীর মগবাজার থেকে সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট মফিজুল সাদিক জানান, মগবাজার ফ্লাইওভারের নিচে প্রচুর পানি জমেছে, হোসাফ টাওয়ার থেকে মৌচাক অব্ধি পানিতে ডুবে গেছে। প্রায় হাটু সমান পানি জমেছে রাস্তায়।
শ্যামলীতে খুব বেশি জলবদ্ধতা নেই তবে অবিরাম বৃষ্টিতে আদাবরের কিছু কিছু জায়গায় হালকা পানি জমেছে। বনানী ওভারব্রিজের নিচে রাস্তা পানিতে পুরোটা ডুবে গেছে। বিমানবন্দর রাস্তাটির দু’পাশ পানিতে ডুবে গেছে। বেইলী রোডের কিছু অংশ পানিতে ডুবলেও শান্তিনগর পুরো রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া শান্তিনগর থেকে রাজারবাগ যাওয়ার রাস্তায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
রাজধানীর আসাদগেট, খামারবাড়ী মোর,মহাখালী রেলগেট, গুলশান-২ এ সামান্য পরিমানে পানি জমেছে। তবে ওইসব এলাকায়র কোনো রাস্তাই পানিতে ডুবে যায়নি। মিরপুরের কাজীপাড়া এলাকায় রাস্তার দুই পাশে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। সকাল থেকে অফিসমুখী মানুষ প্রহর গুনের বাসের জন্য। বৃষ্টির কারণে বাসের সংখ্যাও ছিলো কম। শুধু বৃষ্টির ভোগান্তিই নয়, বাস না পাওয়ার ভোগান্তিতেও ছিলেন অফিসমুখী মানুষজন। তবে বৃষ্টি কমায় রাস্তার পানি কমতে শুরু করেছে।
মগবাজার ডাক্তার গলি, শান্তিনগর, গ্রিনরোড সহ কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা বাসা থেকে কষ্ট করে বের হতে দেখা যায়। মালিবাগ থেকে মগাবাজার যাবার পথে ডাক্তার গলিতে হাঁটুসমান পানি জমে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। তবে ভারি বর্ষণ কমে যাওয়ায় ঘন্টা দুয়েকের মধ্যে জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিচে নামতে শুরু করে।




