ষ্টাফরিপোর্টার (বিডিসময়২৪ডটকম)
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয় ঘটনায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। এসব অভিযোগের মধ্যে হত্যা, গণহত্যা, অপহরণ, নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনাও রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নুরজাহান বেগম মুক্তা ও একেএম সাইফুল ইসলাম আনুষ্ঠানিক এ প্রতিবেদন দাখিল করেন। এর আগে গত ৮ জুন আজাহারের যুদ্ধাপরাধের তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে জমা দেয় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
প্রসিকিউশনের ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, রংপুর অঞ্চলে ১ হাজার ২২৫ ব্যক্তিকে হত্যা, চারজনকে হত্যা, ১৭ জনকে অপহরণ, একজনকে ধর্ষণ, ১৩ জনকে আটক ও নির্যাতন এবং শতশত বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুণ্ঠনের অভিযোগ আনা হয়েছে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আজহারের বিরুদ্ধে।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, আজহার তখন রংপুরের কারমাইকেল কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র এবং জামায়াতে ইসলামীর তখনকার ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের রংপুর শাখার সভাপতি। জেলার আলবদর বাহিনীরও নেতৃত্বে ছিলেন তিনি।
মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০১২ সালের ২২ আগস্ট মগবাজারের বাসা থেকে এটিএম আজহারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ৩০ জুন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের চূড়ান্ত তদন্তের প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে ৮ মে তদন্তের সময় বাড়িয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল।
আজহার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় মানবতাবিরোধী অপরাধের পরিকল্পনা, ষড়যন্ত্র ও তা বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবে জড়িত থেকে অপরাধ সংঘটন করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।




