এরশাদ বলেন, এখন প্রার্থীদের প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে, হামলা করা হচ্ছে, আচরণবিধি ভঙ্গ করা হচ্ছে। এতে বোঝা যায়, আওয়ামী লীগ নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় না। যদি নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়, তাহলে আওয়ামী লীগের অবস্থা করুণ হবে। জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ বলেন, সেলিম, দেলোয়ার, নূর হোসেন এ রকম পাঁচটি নাম মনে রাখা সহজ। বিএনপির আমলে ১৮ জন কৃষককে গুলি করে মারা হলো, তাঁদের নাম কেউ বলেনি। শত শত মানুষ নিহত হয়েছে, খুন হয়েছে, গুম হয়েছে-তাঁদের নাম তো কেউ বলেনি। তারা কি মানুষ নয়? তাঁদের রক্ত কি লাল নয়?
এরশাদ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে আমাকে জেলে দিয়েছে। আজ তাঁরা কোথায়? আল্লাহ তাঁদের বিচার করছে। তাঁরা আজ নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে। নেতারাও সবাই জেলে। নিজের দলে থাকা সাংসদ ও প্রেসিডিয়াম সদস্যদের সমালোচনা করে এরশাদ বলেন, ‘জাতীয় পার্টির ৪০ জন এমপি আছে, ৪০ জন প্রেসিডিয়াম মেম্বার আছে। তাঁরা পৌর নির্বাচনে নিজ এলাকায় একজন প্রার্থী দিতে পারে না। তোমাদের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক নেই, জনগণ থেকে তোমরা বিচ্ছিন্ন। জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ও সাংসদ মুহাম্মদ ইলিয়াছের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তব্য দেন পানি সম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য কবির আহমদ প্রমুখ। সম্মেলন পরিচালনা করেন কক্সবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মোহাম্মদ তারেক।




