শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার প্রধান আসামি পলাতক কামরুল ইসলাম ও তার সহোদর শামীম আহমদের মামামাল ক্রোক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ২টায় মহানগরীর জালালাবাদ থানাপুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেনের নেতৃত্বে সদর উপজেলার কুমারগাঁও শেখপাড়ায় অবস্থিত আসামিদের গ্রামের বাড়ি থেকে এসব মালামাল ক্রোক করা হয়। ওসি আখতার হোসেন জানান, কামরুল ও শামীমের বসত ঘর থেকে টিভি, ফ্রিজ, আলনা, দু’টি কাঠের খাটসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্রোক করা হয়েছে। তবে অপর পলাতক আসামি জাকির হোসেন পাভেল সুনামগঞ্জের দোয়ারবাজার উপজেলার বাসিন্দা হওয়ায় সংশ্লিষ্ট থানাপুলিশ তার বাড়ির মালামাল ক্রোক করবে বলে জানান তিনি। বিকেল সাড়ে ৩টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কামরুল ও শামীমের ক্রোক করা মালামালের হিসাব করছিলেন। এর আগে সোমবার রাজন হত্যা মামলার চার্জশিট আমলে নিয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-১ এর বিচারক সাহেদুল করিম তিন পলাতক আসামি কামরুল, শামীম ও পাভেলের বাড়ির মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। গত ৮ জুলাই সকালে সিলেট নগরীর উপকণ্ঠ কুমারগাঁও এলাকায় পৈচাশিক নির্যাতন করে শিশু রাজনকে হত্যা করা হয়। নিহত রাজন সদর উপজেলার কান্দিরগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামের আজিজুর রহমান আলমের ছেলে। এ ঘটনার পর নির্যাতনের ভিডিওচিত্র ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে দেশ-বিদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ঘাতকদের ফাঁসির দাবিতে সোচ্চার হয়ে ওঠেন সর্বস্তরের মানুষ।



