মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে গত দুইদিনের বৃষ্টির কারণে নগরীর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে সড়কে গণপরিবহন চলাচল কমে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে পরিবহন সংকট। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন কর্মস্থলমুখি মানুষ। দীর্ঘদিন তাপদাহের পর গত সোমবার থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকেই থেমে থেমে সারাদিন বৃষ্টি ছিল। বুধবার ভোর পর্যন্ত মোষলধারে বৃষ্টি হয়। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এরমধ্যে মঙ্গলবার ভোররাত ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। টানা বৃষ্টির কারণে মুরাদপুর, ২ নম্বার গেইট, হামজারবাগ, মোহাম্মদপুর, শুলকবহর, হালিশহর, আগ্রাবাদ কে ব্লক, প্রবর্তক, কাপাসগোলা, বাচদুরতলা, চকবাজারসহ নগরীর কয়েকটি নিচু এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সহকারি প্রকৌশলী(যান্ত্রিক) সুদীপ বসাক বলেন, টানা বৃষ্টি ও সাগরে জোয়ার থাকার কারণে পানি দ্রুত নামতে পারেনি। তাই সাময়িক পানি জমে ছিল। কিন্তু ভাটার সঙ্গে সঙ্গে পানিও কমে গেছে। তিনি বলেন, প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হলে পানি নামতে কিছুটা সময় লাগবে। এতে আমাদের কিছুই করার নেই। বুধবার সকালে নগরীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে মুরাদপুর, ষোলশহর, বাকলিয়া, খাজারোড, হামজারবাগ, মোহাম্মদপুর, শুলকবহর, হালিশহর, আগ্রাবাদ কে ব্লক, প্রবর্তক, কাপাসগোলা, চকবাজারসহ নগরীর নিচু এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকার সড়ক ছাপিয়ে বৃষ্টির পানি দোকানপাট-ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানেও ঢুকে পড়েছে।
বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বিহার ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বিহার এলাকায় অবস্থান করছে। বাংলাদেশে মৌসুমী বায়ু সক্রিয় রয়েছে। রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা এবং সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।




