একাত্তরের আলবদর কমান্ডার কামারুজ্জামানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার ভোররাত পাঁচটা ১০ মিনিটে তার গ্রামের বাড়ি শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের মুদীপাড়ায় দাফন করা হয়েছে শীর্ষ এ যুদ্ধাপরাধীকে। বাজিতখিলায় কামারুজ্জামানের গড়া এতিমখানার পেছনে কবর দেওয়া হয় কামারুজ্জামানকে। এর আগে চারটা ৫৫ মিনিটে এতিমখানার মাঠে তার নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। এতে অংশ নেন স্বজন ও গ্রামের লোকজন। রাত চারটা ৪০ মিনিটে কামারুজ্জামানের মরদেহ তার পরিবার পরিজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তার বড় ভাই কফিলউদ্দিন মরদেহ গ্রহণ করেন। এর আগে চারটা ২০ মিনিটে বাড়িতে পৌঁছে মরদেহবাহী গাড়িবহর। সঙ্গে আসা কারা কর্মকর্তারা তার স্বজনদের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পর কামারুজ্জামানকে দাফনের জন্য নেওয়া হয় বাজিতখিলায়। কারাগারের ভেতর থেকে বের করার পর প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তায় অ্যাম্বুলেন্সে করে সেখানে পাঠানো হয় মরদেহ। রাত এগারটা ৪০ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স রওনা হয় শেরপুরের উদ্দেশ্যে। হাইকোর্টের সামনে দিয়ে শাহবাগ ও মহাখালী হয়ে গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা পার হয়ে বাজিতখিলায় পৌঁছে।
রাত দশটার পরে এ ফাঁসি কার্যকর করার মধ্য দিয়ে দেশের জন্য আরও একটি নতুন ইতিহাস রচিত হয়েছে। এরপর প্রায় বিশ মিনিট ফাঁসির মঞ্চে ঝুলিয়ে রাখা হয় কামারুজ্জামানকে। পরে মরদেহ নামিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয় দু’পায়ের রগ কেটে। সবশেষে মরদেহের ময়না তদন্ত সম্পন্ন করা হয়।




