মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরে আর সময় দেওয়া হবে না এমন অবস্থানেই রয়েছে প্রশাসন। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল শুক্রবারই বলে দিয়েছেন, আর সময় দেওয়া হচ্ছে না। একটি মিডিয়াকে তিনি এও বলেছেন, কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় শুক্রবারেই হওয়ার কথা ছিলো কিন্তু হয়নি, শনিবারে হবে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি এ ব্যাপারে।
এর আগে শুক্রবার রাত ৮টায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একটি অনুষ্ঠানে ওই রাতেই ফাঁসি কার্যকর করা হবে এমন ইঙ্গিত দিয়ে কথা বললে সংবাদমাধ্যমগুলোর মধ্যে তৎপরতা বেড়ে যায়। চূড়ান্ত তৎপরতাও লক্ষ্য করা যায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনেও। জেলগেটে নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি ওই এলাকার রাস্তাঘাটে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এসব তৎপরতার কারণে শুক্রবারই কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় কার্যকর হচ্ছে এমন প্রত্যাশাই করেছিলেন দেশবাসী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শুক্রবার রাতেও তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়নি।
এরপর রাত ১০টার দিকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার রাতে রায় কার্যকর করা হচ্ছে না, তবে শনিবার রায় কার্যকর করা হতে পারে। তার এ বক্তব্যের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়, শনিবার কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় কার্যকর করা হবে। বিষয়টি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার অপেক্ষায়।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় শেরপুর জেলার সোহাগপুর গ্রামে ১৬৪ জনকে হত্যা ও নারী নির্যাতনের দায়ে ২০১৩ সালের ৯ মে কামারুজ্জামানকে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল-২। এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা হলে কামারুজ্জামানের ফাঁসির আদেশ বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।




