ক্রিকেটে বিশ্বকাপের দল ও জাতীয় দল থেকে ক্রিকেটার রুবেল হোসেনকে বাদ দেওয়ার আরজি জানিয়ে ৫ জানুয়ারি সোমবার হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন হ্যাপি। তার পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট দায়ের করেন তার আইনজীবী মো. ইউনূস আলী আকন্দ। আইনজীবী ইউনূস জানান, রিট আবেদনে রুল জারি ও রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রুবেলকে জাতীয় দল ও বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ দিতে আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হয়। পাশাপাশি হ্যাপির মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার পাসপোর্ট জব্দ করার আবেদনও জানানো হয়। রিটের বিষয়ে হ্যাপির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি হাইকোর্টে গিয়েছিলাম। মামলার এভিডেভিট করেছি। রুবেলকে বিচারিক আদালত থেকে জামিন না দেওয়া এবং বিশ্বকাপ দল থেকে দূরে
রাখার নির্দেশনা চেয়ে রিট করেছি।
হ্যাপির আইনজীবী ড. ইউনূস আলী আরও জানান, রিটে বাদিনী হ্যাপির জীবন রক্ষায় পুলিশি নিরাপত্তা প্রদানে বিবাদীদেরকে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না- সে মর্মে রুল চাওয়া হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ও বিশ্বকাপ দল থেকে রুবেলের নাম বাদ দিতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না এবং হ্যাপির মামলার তদন্ত ও বিচার না হওয়া পর্যান্ত রুবেলের পাসপোর্ট জব্দ করতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না- সে মর্মে রুল চেয়েছি।
রিটে বিবাদী করা হয় স্বরাষ্ট্র সচিব, ক্রীড়া সচিব, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি, ঢাকার চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, মো. রুবেল হোসেন, নারী শিশু নির্যাতন অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-৫ ও মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগে মিরপুর থানায় গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর রুবেলের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন হ্যাপি। এ মামলায় গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্টে হাজির হয়ে আগাম জামিন নেন ক্রিকেটার মো. রুবেল হোসেন। বিচারপতি সৈয়দ এবি মাহমুদুল হক ও বিচারপতি মো: আকরাম হোসেন চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে চার সপ্তাহের জামিন দেন।




