একই ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় গত বছরের ৫ নভেম্বর বিডিআরের ডিএডি তৌহিদসহ ১৫২ আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। অন্য ৪২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি একদল বিপথগামি বিডিআর সদস্যদের হাতে পিলখানায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুলিশের পরিদর্শক নবজ্যোতি খীসা প্রথমে লালবাগ থানায় এবং পরে নিউমার্কেট থানায় দু’টি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর ২ হাজার ১শ’ ৮৭ জনকে গ্রেফতার করে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে ৫২১ আসামি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। পরবর্তীতে ১২৫ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করেন। ঘটনাটি তদন্ত করে ২০১০ সালের ১২ জুলাই হত্যা মামলায় ও ২৭ জুলাই বিষ্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় ৫শ’ ৩৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি’র বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ।




