২০১৩ সালের ১৫ জুলাই বয়স বিবেচনায় নিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির পরিবর্তে গোলাম আযমকে ৯০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। একইসঙ্গে ট্রাইব্যুনালের রায়ে জামায়াতকে ‘ক্রিমিনাল অর্গানাইজেশন’ বলে উল্লেখ করা হয়। ৫ আগস্ট এ রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে আপিল করেন গোলাম আযম (আপিল নম্বর- ১০২/২০১৩)। গোলাম আযমকে নির্দোষ দাবি করে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া সাজা বাতিল এবং খালাস চেয়ে আপিলটি করেন গোলাম আযমের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে ১০৯টি যুক্তি নিয়ে আপিল করেন তারা। তাদের মূল আপিল ৯৫ পৃষ্ঠার। এর সঙ্গে সাড়ে ৯ হাজার পৃষ্ঠার ডকুমেন্ট দাখিল করা হয়।
অন্যদিকে, ১২ আগস্ট সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন রাষ্ট্রপক্ষ। একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনালের রায়ের আলোকে জামায়াতকে নিষিদ্ধের আবেদন জানানো হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আপিল আবেদনটি দাখিল করেন অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নাল আবেদিন তুহিন (আপিল নম্বর- ১০৫/২০১৩)। রাষ্ট্রপক্ষ আপিলে বলেছেন, ট্রাইব্যুনালে গোলাম আযমের বিরুদ্ধে দেওয়া শাস্তি অপর্যাপ্ত। তাই, সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির আরজি জানিয়ে আপিল করেন তারা। একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনালের রায়ের আলোকে জামায়াতকে নিষিদ্ধের আবেদন জানান। অন্যদিকে আসামি পক্ষের দাবি, ট্রাইব্যুনাল যেসব কারণে সাজা দিয়েছেন, তার আইনগত ও ঘটনাগত ভিত্তি নেই। আপিল বিভাগে উচ্চতর শুনানিতে গোলাম আযম নির্দোষ প্রমাণিত হবেন, এমনটিও প্রত্যাশা তাদের।




