অনুষ্ঠানের মাঝপথে হঠাৎই সভা ছেড়ে উঠে চলে গেলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাংলাদেশের গণ আন্দোলনে ছাত্র সমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এমনটাই দেখা গেলো। এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র সমাজ। যার প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার।
সভায় বাংলাদেশ ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবদুল কাদের যখন বক্তব্য রাখছিলেন তখন শুরুর দিকে কোনো ব্যত্যয় ছিলো না। কিন্তু দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে দেওয়া যুদ্ধাপরাধের মামলার রায় নিয়ে তার কিছু বক্তব্য হয়তো এমকে আনোয়ারের পছন্দ হয়নি। আর সে কারণেই তিনি মাঝপথে সভাস্থল ছেড়ে চলে যান।
তিনি বলেন, মিথ্যা অপবাদ দিয়ে, ষড়যন্ত্র করে সাঈদীকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলাতে চেয়েছিল সরকার। তবে বিজ্ঞ বিচারকরা সঠিক রায় দিয়েছেন। ফলে তা আর সম্ভব হয়নি। আবদুল কাদের বলেন, সাঈদীর ফাঁসির রায় ছিল, যা পরে আপিল বিভাগে গিয়ে কারাদণ্ড হয়েছে। তবে আমরা চাই সাঈদীর মুক্তি। তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। যার জন্য প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তার এই বক্তব্য যখন চলছিলো তখনই সভার প্রধান অতিথি আসন ছেড়ে চলে যান এমকে আনোয়ার। এমকে আনোয়ারের চলে যাওয়ার পর বক্তব্য রাখেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও সাবেক চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুক।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিএনপিকে বর্তমান সরকার এক প্রকার অবরুদ্ধ করে রেখেছে। কোনো আন্দোলন, সংগ্রাম করতে দিচ্ছে না। আর আমরাও যত লাঠি পেটা খাচ্ছি ততই শক্তি অর্জন করছি। জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেন, বর্তমানে কোনো বক্তব্য দেওয়া যায় না। বক্তব্য দিলেই মামলা হয়ে যায়। এই সরকার সব কিছুই নিষন্ত্রণ করতে চায়। ফারুক বলেন, বর্তমানে সরকার আবার গণ মাধ্যমকে নিষন্ত্রণে আইন করতে চলেছে। অন্যদিকে দেশের অন্যতম বড় দল বিএনপিকে বর্তমান সরকার এক প্রকার অবরুদ্ধ করে রেখেছে। কোনো আন্দোলন, সংগ্রাম করতে দিচ্ছে না। তিনি বলেন, সরকারের এই নীতিতে আমরা যতই লাঠি পেটা খাচ্ছি ততই শক্তি অর্জন করছি।




