আর এসব কাজের জন্য কোথায় কী করতে হবে, তা জেনে নিন মাত্র একটা ফোনকলে। আপনার ঠিকানা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট থানা বা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে ফোন করলেই জানতে পারবেন, আপনার সমস্যায় করণীয় কী! ঢাকার জনসংখ্যা বেশি; কেউ যাতে ভোটার হওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন, সেজন্য নির্বাচন কমিশন কল সেন্টারের মতো এ-সুবিধা সৃষ্টি করেছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ভোটার আছেন ৯ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার ৬৪১ জন।
ভোটার বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ ধরে এবারের হালনাগাদে ৪৬ লাখ নতুন ভোটারকে তালিকাভূক্ত করার কাজ করছে কমিশন। এ পর্যন্ত ২৫৬ উপজেলায় হালনাগাদের কাজ শেষ হয়েছে। এতে নতুন ভোটার হয়েছেন মোট ২৩ লাখ ৪৬ হাজার ৪০৫ জন। ১ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা মহানগর ছাড়াও ১২০টি উপজেলাতে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার কাজ শুরু হচ্ছে। রোববার ইসির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ এসব তথ্য জানান। এ সময় নির্বাচন কমিশনার আবু হাফিজ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জাবেদ আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সিইসি বলেন, সোমবার থেকে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইসি নিয়োজিত সুপারভাইজাররা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে নিবন্ধনের জন্য ছবি তোলা হবে। তবে যারা এ কার্যক্রমে বাদ পড়বেন, তারা পরেও ভোটার হতে পারবেন। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। তাই সুপারভাইজাররা কাউকে বাড়িতে না পেলে তিনি সরাসরি নিবন্ধনকেন্দ্রে গিয়ে ভোটার হতে পারবেন। এছাড়া যারা বিদেশে রয়েছেন তারাও পরে নিজ উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে গিয়ে ভোটার হতে পারবেন।
কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, প্রথম পর্যায়ে ১৮১ উপজেলায় হালনাগাদের কাজ শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ২১৩টি উপজেলার মধ্যে ৯২টির কাজ এখনো শেষ হয়নি। আর তৃতীয় পর্যায়ে সোমবার থেকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনসহ দেশের ১২০ উপজেলায় হালনাগাদের কাজ চলবে।




