শিক্ষিতদের সব পেশার কাজ করতে আগ্রহী করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষিত হয়েও সবার মাঝে কৃষি কাজ করার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। এর জন্য বিশেষ কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে। নইলে ভবিষ্যতে সমস্যা দেখা দিবে।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, বিভিন্ন এলাকায় ধান লাগানো ও ফসল কাটার লোক পাওয়া যায় না। পারিবারিক পেশাভিত্তিক শিক্ষার দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। পারিবারিক পেশাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। নইলে অনেক কিছু আমাদের দেশ থেকে হারিয়ে যাবে- যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করতে শিক্ষামন্ত্রণায়ল সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘মাদ্রাসার শিক্ষার কারিকুলাম ঠিক করে দিতে হবে। মাদ্রাসার শিক্ষার কারিকুলাম থাকার পাশাপাশি যেন আধুনিক শিক্ষাকে সামনে নিয়ে আসতে পারি। উভয় ধরণের শিক্ষা যেন তারা পায়। একটা বাদ দিয়ে আরেকটা করতে গেলে মাদ্রাসা থাকবে না। এটা খেয়াল রাখতে হবে।’
পাবর্ত্য এলাকায় আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্মাণের পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে যাতায়াতের অসুবিধা। সেখানকার ছেলেমেয়েদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে সাধারণ নিয়মের ব্যতয় ঘটিয়ে সেখানে আবাসিক স্কুল তৈরি করা যেতে পারে।’ বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী চর এলাকার ছেলেমেয়েদের মাধ্যমিক পর্যায়ে লেখাপড়া নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘সেখানে শিশুরা প্রাথমিকের পর ঝরে পড়ে। এটা বন্ধ করতে হবে।’ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, শিক্ষা সচিব মোহাম্মদ সাদিকসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




