মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়নেটওয়ার্ক উন্নয়নে একনেকে ১৮৬৩ কোটি টাকা অনুমোদন

নেটওয়ার্ক উন্নয়নে একনেকে ১৮৬৩ কোটি টাকা অনুমোদন

ষ্টাফ  রিপোর্টার  (বিডিসময়২৪ডটকম)

অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ২ হাজার ৭২ কোটি ৫৩ লাখ টাকার ৫টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৬৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য এনজিএন ভিত্তিক টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় এ প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেয়া হয়।

একনেক সভায় জানানো হয়, এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের গ্রাম অঞ্চল পর্যন্ত ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপিত হবে। এ প্রকল্পের আওতায় ৭ লাখ সংযোগ ক্ষমতাসম্পন্ন ঢাকায় ১টি ইন্টারনেট প্রটোকল মাল্টিমিডিয়া সাবসিস্টেম (আইএসএস) প্লাটফর্ম স্থাপন করা হবে। এর অতিরিক্ত হিসেবে চট্টগ্রামে একই ক্ষমতাসম্পন্ন আরো ১টি আইএসএস প্লাটফর্ম স্থাপিত হবে।

সভায় জানানো হয়, ১ হাজার ৮৬৩ কোটি ১৫ লাখ টাকার এ প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন ৪০৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। বাকি ১ হাজার ৪৫৩ কোটি ২১ লাখ টাকা চীন সরকার প্রকল্প সাহায্য হিসেবে দেবে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নের মেয়াদকাল ধরা হয়েছে ২০১৪ সালের মার্চ থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত। সারাদেশে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বিটিসিএল ভয়েসকল ছাড়াও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদানের জন্য বিদ্যমান এক্সচেঞ্জগুলোতে স্থাপিত কম ক্ষমতা সম্পন্ন পুরানো ট্রান্সমিশন যন্ত্রপাতি আধুনিক ইন্টারনেট ও মাল্টিমিডিয়া বেইজ্্ড ট্রান্সমিশন যন্ত্রপাতি দ্বারা প্রতিস্থাপিত করবে।

এজন্য বিটিসিএল বিদ্যমান কপার বেইজড মূল টেলিফোন নেটওয়ার্ক উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল নেটওয়ার্ক দ্বারা প্রতিস্থাপন করবে। জনসাধারণের জন্য নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী মূল্যে আইসিটি সুবিধা পৌঁছে দিয়ে দেশে টেলিডেনসিটি বৃদ্ধি এবং টেলিএক্সেস সুবিধার আরো সমপ্রসারণ করাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

সভায় আরো জানানো হয়, দেশে বেসরকারি খাতে একাধিক মোবাইল অপারেটর থাকলেও তারা মূলতঃ ভয়েস কল সেবা প্রদান করে থাকে। সীমাবদ্ধ ব্যান্ড ইউথে ডাটা সার্ভিস (ইন্টারনেট) প্রদান করলেও তা বেশ ব্যয় বহুল। আলোচ্য প্রকল্পের মাধ্যমে বিটিসিএল এর বিদ্যমান নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন করে ভয়েস কলের পাশাপাশি ইন্টারনেট ও ভিডিও আদান প্রদান সেবা প্রদান করা হবে। ফলে ১০ লাখ ল্যান্ড টেলিফোন গ্রাহকদের নতুন করে সংযোগ না নিয়ে ইন্টারনেট সুবিধার আওতাভুক্ত হবে। এর ফলে সাশ্রয়ী মূল্যে ভয়েসকল ও ইন্টারনেট সেবা প্রদানের জন্য দেশে একটি সুষম ও প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টি হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ