জামায়াতের নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার আসামি পক্ষের পল্টাযুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চে সাঈদীর আইনজীবী এস এম শাহজাহান রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি খ-ন করেন। এরআগে গত ১০ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তি উপস্থাপন শেষ করে। ১৩ এপ্রিল আসামিপক্ষ পাল্টা যুক্তি উপস্থান শুরু করে।
আসামিপক্ষের পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন শেষের মধ্যদিয়ে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার আপিল শুনানির কার্যক্রম শেষ হল। ফলে চলতি সপ্তাহেই মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হতে পারে বলে আশাবাদ রাষ্ট্রপক্ষের।
আসামিপক্ষের পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন শেষের মধ্যদিয়ে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার আপিল শুনানির কার্যক্রম শেষ হল। ফলে চলতি সপ্তাহেই মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হতে পারে বলে আশাবাদ রাষ্ট্রপক্ষের।
বিধান অনুযায়ী শুনানি শেষে আপিল বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে সাঈদীর আপিল খারিজ করে দিলে তার মৃত্যুদ- বহাল থাকবে। অথবা ওই আপিল খারিজ না করে রায় ঘোষণার জন্য একটি দিন ধার্য করতে পারেন আপিল বিভাগ। রায়ে আপিল বিভাগ সাঈদীর আপিল খারিজ করে দিলেও পূর্ণাঙ্গ রায় ঘোষণা করতে কিছুদিন সময় নিতে পারেন আদালত।
এরআগে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন দ- দিয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ওই দ-ের বিরুদ্ধে আবদুল কাদের মোল্লা ও রাষ্ট্রপক্ষ সুপ্রিম কোর্টে পৃথক আপিল দায়ের করেন। গত বছরের ১ আগস্ট ওই আপিলের শুনানি শেষ হয়। কিন্তু সংক্ষিপ্ত রায় দেওয়া হয় ১৭ সেপ্টেম্বর। আর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয় ৫ ডিসেম্বরে। পূর্ণাঙ্গ রায় না পাওয়া পর্যন্ত কাদের মোল্লার রিভিউ পিটিশন দায়ের করতে পারেননি। এরপর রিভিউ পিটিশনের শুনানি শেষে ১২ ডিসেম্বর তা খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। ওই দিনই সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
এরআগে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন দ- দিয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ওই দ-ের বিরুদ্ধে আবদুল কাদের মোল্লা ও রাষ্ট্রপক্ষ সুপ্রিম কোর্টে পৃথক আপিল দায়ের করেন। গত বছরের ১ আগস্ট ওই আপিলের শুনানি শেষ হয়। কিন্তু সংক্ষিপ্ত রায় দেওয়া হয় ১৭ সেপ্টেম্বর। আর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয় ৫ ডিসেম্বরে। পূর্ণাঙ্গ রায় না পাওয়া পর্যন্ত কাদের মোল্লার রিভিউ পিটিশন দায়ের করতে পারেননি। এরপর রিভিউ পিটিশনের শুনানি শেষে ১২ ডিসেম্বর তা খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। ওই দিনই সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদ-ের রায় দেয় ট্রাইব্যুনাল। এ রায়ের বিরুদ্ধে তিনি আপিল দায়ের করেন।
গত বছরের ২৪ শে সেপ্টেম্বর থেকে এ আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। আসামি পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট এসএম শাহজাহান। সাঈদীর পক্ষে যুক্তি দেখানো হয়, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাঈদীকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি কান ধরনের অপরাধে জড়িত ছিলেন না।
গত বছরের ২৪ শে সেপ্টেম্বর থেকে এ আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। আসামি পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট এসএম শাহজাহান। সাঈদীর পক্ষে যুক্তি দেখানো হয়, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাঈদীকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি কান ধরনের অপরাধে জড়িত ছিলেন না।
দেলোয়ার শিকদার এবং মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী এক ব্যক্তি নন বলেও আসামিপক্ষে যুক্তি উত্থাপন করা হয়। ইব্রাহিম কুট্টি হত্যার জন্য সাঈদীকে দোষী সাব্যস্ত করা হলেও তার আইনজীবী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর ইব্রাহিম কুট্টির স্ত্রী যে মামলা দায়ের করেছিলেন তাতে সাঈদীকে আসামি করা হয়নি। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ সাঈদীর বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। মৃত্যুদ-ই তার যথার্থ শাস্তি। মানবতাবিরোধী অপরাধে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে চূড়ান্ত রায় হচ্ছে সাঈদীর মামলার।
২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০টি অভিযোগের মধ্যে আটটি অভিযোগে সাঈদীকে মৃত্যুদ- দেয় অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এরমধ্যে আট ও ১০ নং অভিযোগে মৃত্যুদ- দেয়ায় অন্যগুলোতে আলাদা করে সাজার কথা উল্লেখ করা হয়নি। রায় ঘোষণার ২৯ দিনের মাথায় ২৮ মার্চ রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ আপিল করে। আপিলের শুনানি শুরু হয় গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর।
সার্বিক বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, সাঈদীর মামলাটি এখন একেবারে শেষ ধাপে রয়েছে। মামলাটি এখন রায় ঘোষণার পর্যায় রয়েছে। বিষয়টি বিচারকদের উপর নির্ভর করবে- তারা কবে রায় ঘোষণা করবেন। তিনি বলেন, সাঈদী সর্বোচ্চ দ- পাবে বলেই আমাদের বিশ্বাস। আসামিকে সর্বোচ্চ সাজা দেয়ার মতো সাক্ষ্য-প্রমাণ এ মামলায় রয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, সাঈদীর মামলাটি এখন একেবারে শেষ ধাপে রয়েছে। মামলাটি এখন রায় ঘোষণার পর্যায় রয়েছে। বিষয়টি বিচারকদের উপর নির্ভর করবে- তারা কবে রায় ঘোষণা করবেন। তিনি বলেন, সাঈদী সর্বোচ্চ দ- পাবে বলেই আমাদের বিশ্বাস। আসামিকে সর্বোচ্চ সাজা দেয়ার মতো সাক্ষ্য-প্রমাণ এ মামলায় রয়েছে।



