হাইকোর্টে হাজির হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ‘সব কোর্টই মুজিব কোটের পকেটে বন্দী’-এই বক্তব্যের পর হাইকোর্ট গয়েশ্বরকে তাঁর ঐ বক্তেব্যের ব্যাখ্যা দিতে তলব করে। হাইকোর্টের ডাকে সাড়া দিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র আজ সকাল সাড়ে ১০ টায় হাইকোর্টে হাজির হন।
বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এবিএম আলতাফ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) নেতা ডা. এ জেড এম জাহিদ এবং ডা. এম সালামকেও তলব করেন।
গত ৬ এপ্রিল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘জজ কোর্ট, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট—সব কোর্টই এখন মুজিব কোর্টের পকেটে বন্দী। এই পকেট ছিঁড়তে না পারলে কেউ ন্যায়বিচার পাবে না, বিচারকদের বিবেক জাগ্রত হবে না।’
গত ৬ এপ্রিল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘জজ কোর্ট, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট—সব কোর্টই এখন মুজিব কোর্টের পকেটে বন্দী। এই পকেট ছিঁড়তে না পারলে কেউ ন্যায়বিচার পাবে না, বিচারকদের বিবেক জাগ্রত হবে না।’
আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তি ও পত্রিকাটি খুলে দেয়ার দাবিতে এই মানববন্ধনের আয়োজন করেছিল বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)। পরের দিন ৭ এপ্রিল তার এই বক্তব্য জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ঐ দিনই হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ রুল জারি করেন এবং কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না তা দুই সপ্তাহের মধ্যে জানতে চাওয়া হয়।



