যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল হক খান মিল্কী হত্যা মামলায় ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে র্যাব। মঙ্গলবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র্যা ব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. কাজেমুর রশীদ ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দেন। আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক ফরিদ মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে হত্যার ঘটনার পর র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত যুবলীগ নেতা এইচ এম জাহিদ সিদ্দিক তারেকের নামও রয়েছে।
অভিযুক্ত অন্যরা হলেন- সাখাওয়াৎ হোসেন চঞ্চল, মোসাম্মৎ ফাহিমা ইসলাম লোপা, জাহাঙ্গীর মণ্ডল, শহীদুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, সোহেল মাহমুদ, চুন্নু মিয়া, আরিফ, ইব্রাহীম খলিলম রফিকুল ইমলাম, শরীফ উদ্দিন পাপ্পু। এদের মধ্যে ফাহিমা ইসলাম জামিনে, সাখাওয়াৎ হোসেন, আরিফ, ইব্রাহীম, রফিকুল পলাতক রয়েছেন। বাকিরা কারাগারে। অভিযোগপত্রে ২৬ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে আর আসামির তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে ৯ জনকে, বলেন ফরিদ মিয়া। তদন্ত কর্মকর্তা কাজেমুর রশীদ জানান, মামলায় ৬ জন ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
গত বছর ২৯ জুলাই গুলশানে শপার্স ওয়ার্ল্ড নামে একটি বিপণীবিতানের সামনে খুন হন রিয়াজুল হক খান মিল্কী। মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তাকে গুলি করা হয়। ওই বিপণীবিতানের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওচিত্র দেখে ‘মূল’ হত্যাকারী হিসেবে যুবলীগ নেতা এইচ এম জাহিদ সিদ্দিক তারেককে চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
তারেক গ্রেপ্তার হওয়ার পর খিলক্ষেতে র্যাবের সঙ্গে তার সহযোগীদের কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এই যুবলীগ নেতা নিহত হন বলে দাবি করা হয়। মিল্কী হত্যার ঘটনায় গুলশান থানায় একটি মামলা করেন তার ভাই মেজর রাশিদুল হক খান। এতে তারেকসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়।




