শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রচ্ছদঅর্থ ও বানিজ্য সময়চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি...

চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা

ষ্টাফ  রিপোর্টার  (বিডিসময়২৪ডটকম)

চলতি ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. গোলাম হোসেন। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় এনবিআরের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। এর ফলে অর্থনীতিতে যে অসামঞ্জ্যতা ও বাজেট ঘাটতি, রয়েছে তা দূর এবং রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে গতি ফিরে আসবে বলে দাবি করেন তিনি। এনবিআরের চেয়ারম্যান বলেন, বাজেট লক্ষ্যমাত্রা কমানোর ফলে আয় ও ব্যয়ের অসামঞ্জস্যতা কমে আসবে। রাজনৈতিক অস্থিরতা, সহিংসতার কারণে অর্থনীতির চাকা অনেকটা বিকল হয়ে পড়ে। এতে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ বেড়ে যায়। রাজস্ব ঘাটতি অর্থনীতিতে সুফল বয়ে আনে না। ঘাটতি থাকলে রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা থাকে না। এসব বিবেচনায় নিয়ে সরকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

চেয়ারম্যান সরকারকে ইঙ্গিত করে বলেন, চলতি বছরের বাজেট প্রণয়নের আগে এসব বিবেচনায় এনে বাজেট পরিকল্পনা দিয়েছে এনবিআর। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে করদাতারা কর দেওয়া থেকে বিরত রয়ে গেছেন। শেষ পর্যন্ত সরকার বর্তমান লক্ষ্যমাত্রায় ফিরে এসেছে।

পূনঃলক্ষ্যমাত্রার ফলে আয় ও ব্যয়ের খাতে স্থিতাবস্থা ফিরে আসবে। নতুন সরকার আসার পর আমরা আলোচনা করি। সরকার রাজস্ব ঘাটতি কমিয়ে আনতে পরামর্শ দেয়। এজন্য রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা কমানো হয়েছে। চেয়ারম্যান বলেন, ২০১৩-১৪ অর্থবছরের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ১১ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে (৮.০৮৮ শতাংশ) ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরের এখনও তিন মাস বাকি। দেশের অর্থনীতি বর্তমানে ভালো। এ তিন মাসের রাজস্ব ঘাটতি পূরণ হবে বলে তিনি জানান। এছাড়া করপোরেট ট্যাক্স বাড়ানো হবে বলেও জানান তিনি।

গোলাম হোসেন বলেন, বর্তমানে সাড়ে ৩৭ শতাংশ করপোরেট ইনকাম ট্যাক্স নেওয়া হয়। এটা কমিয়ে আনলে ট্যাক্স আদায় বাড়বে। তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে ব্যক্তিগত আয়করের চেয়ে করপোরেট ট্যাক্স কম থাকে। আমাদের দেশে তার বিপরীত। ব্যক্তিগত আয়করের চেয়ে পার্সেন্ট কমাতে না পারলেও যাতে কাছাকাছি থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, সাদাপাতাসহ জনস্বাস্থ্যের ক্ষতিকর এমন পণ্যে শুল্ক বাড়ানো হবে বলে তিনি জানান। গোলাম হোসেন বলেন, কয়েকশ’ জর্দা ফ্যাক্টরি আছে, যেগুলো থেকে এখন কর নেওয়া হবে।তিনি বলেন, সরকার রাজস্ব প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে কাজ করছে। বাজেটের পাঁচ বছরের একটি রূপরেখা তৈরির জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মতামত নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাজেট প্রস্তাবনা আসা শুরু হচ্ছে।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কার্যক্রমে সন্তুষ্ট। ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্য আয়ের দেশ গড়ার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

বাজেট ঘাটতি সম্পর্কে তিনি বলেন, বছরের তিন মাসেরও অধিক সময় দেশের অভ্যন্তরীণ অবস্থা ব্যবসা-বাণিজ্য ও আমদানি রফতানি অনুকূলে ছিলো না। এ সময় ব্যবসায়ীরা কর প্রদান করতে পারেননি। আমদানি না থাকায় শুল্ক থেকে বঞ্চিত হয়েছে এনবিআর। সব মিলিয়ে প্রথম সাত মাসে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় কম হয়েছে। বাজেট ঘাটতি যাতে না হয় এটি বিবেচনা রেখেও সরকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা কমিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আগামী বাজেটেই কমছে করপোরেট কর
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমানে করপোরেট কর সাড়ে ৩৭ শতাংশ। আগামী বাজেটে করপোরেট কর কমিয়ে আনা হবে। ধাপে ধাপে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে করপোরেট কর থাকবে না। কারণ, পৃথিবীর কোথাও করপোরেট কর এতো বেশি নেই। বিভিন্ন দেশে ব্যক্তিগত আয়করের চেয়ে করপোরেট কর কম থাকে। আমাদের দেশে তার বিপরীত।

সিগারেট, বিড়ি, জর্দার ওপর শুল্ক বাড়বে
আগামী বাজেটে জনস্বাস্থ্যের ক্ষতিকর পণ্যে শুল্ক বাড়ানো হবে জানিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আগামী বাজেটে জনস্বাস্থ্যের ক্ষতিকর সব পণ্যে শুল্ক বাড়ানো হবে। এর মধ্যে রয়েছে সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, সাদা পাতা। কয়েকশ জর্দা ফ্যাক্টরি আছে যেগুলোতে কর নেওয়া হয় না। এগুলো করের আওতায় আনা হবে।  এনবিআরকে সম্পূর্ণ অটোমেশনের আওতায় আনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার রাজস্ব প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে কাজ করছে। বাজেটের পাঁচ বছরের একটি রুপরেখা তৈরির জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মতামত নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে বাজেট প্রস্তাবনা আসা শুরু হচ্ছে। এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কার্যক্রমে সন্তুষ্ট। ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্য আয়ের দেশ গড়ার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

তিনমাসে বাজেট ঘাটতি ১০ হাজার কোটি টাকা
বাজেট ঘাটতি সম্পর্কে গোলাম হোসেন বলেন, তিন মাসেরও অধিক সময় ব্যবসা-বাণিজ্য ও আমদানি-রফতানি অনুকূলে ছিল না। এতে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি দেখা দেয়। বাজেট ঘাটতি যাতে না হয় এটি বিবেচনা রেখেও সরকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা কমিয়েছে। বর্তমান লক্ষ্যমাত্রায় জানুয়ারি পর্যন্ত রাজস্ব ঘাটতি চার হাজার কোটি টাকা। তবে বাকি তিন মাসে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে বলে দাবি করেন তিনি।

অ্যাকাউন্ট খুলে দিতে আবেদন করেননি খালেদা
বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া তার জব্দকৃত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দিতে আবেদন করেননি জানিয়ে গোলাম হোসেন বলেন, খালেদা জিয়া জব্দ হওয়া ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দিতে কোন আবেদন করেনি। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়মমাফিক আবেদন করায় ব্যাংক একাউন্ট খুলে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়া যেখানে আবেদন করেছেন কোনো যৌক্তিক কারণ না থাকলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়ায় বাঁধা থাকার কথা নয়। যদি কারো অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয় নিয়ম হল, তাকে লিখিত আবেদন করতে হয়। নিয়মের বাইরে কারো প্রতি এমন করা হয় না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০০৭ সালে খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা ও তাদের পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ী, শিল্পপতিসহ ১২৯ জনের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে।

আগামী বাজেটে আয়কর ও শুল্ক আইন সংশোধন
আগামী ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে আয়কর ও শুল্ক আইন সংশোধন করা হবে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে (২০১৩-১৪) মূসক (ভ্যাট) আইন সংশোধন করা হয়েছে। একইসঙ্গে মূসক আইন সংশোধন ও অটোমেশনে বিশ্বব্যাংক ৫৭ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রজেক্টের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আইন সংশোধনের প্রারম্ভিক ৩৫ মিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট থাকলেও পরে সংশোধন করে ৫৭ মিলিয়ন ডলার করা হয়েছে। রাজস্ব বোর্ডের সবচেয়ে বড় প্রজেক্ট এটি। আগের আইন যুগোপযোগী ছিল না উল্লেখ করে এনবিআরের চেয়ারম্যান বলেন, ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে এ আইন বাস্তবায়ন করা হবে। মূসক আইন সংশোধন ও অটোমেশনের ফলে এ খাতে স্বচ্ছতা আসবে বলে দাবি করেন তিনি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আলাদা নয় সমন্বিত অটোমেশন হবে বলেও জানান তিনি। সমন্বিত অটোমেশনের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আসবে বলে আশা করেন তিনি। এর মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণকে সেবা দেওয়া। আয়কর ও শুল্ক আইন সংশোধন সম্পর্কে তিনি বলেন, আয়কর ও শুল্ক আইন নিয়ে কাজ চলছে। এক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটে মতামত আহবান করা হলেও আশানুরুপ সাড়া না পাওয়ায় তিনি হতাশা ব্যক্ত করেন।

আয়কর আইনের জটিলতা তুলে ধরে গোলাম হোসেন বলেন, আয়কর আইন একটি জটিল ও সময় সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। ভারত গত দশ বছর চেষ্টা করেও আয়কর আইনে পরিবর্তন আনতে পারেনি। বাংলাদেশ আয়কর আইন নিয়ে তিন বছর কাজ করেও শেষ করতে পারেনি। রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটে মতামত আহবান করা হলেও এক্ষেত্রে মতামত পাওয়া যাচ্ছে না। কাস্টমস আইন সম্পর্কে চেয়ারম্যান বলেন, কাস্টমস আইন চলতি বছর সংসদে তোলা হবে। কাস্টমস ও আয়কর আইন সময় উপযোগী ও বাস্তবমুখী করে তোলার ক্ষেত্রে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রায় ১৪-১৫ সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি ফ্রি পণ্য আছে। এ থেকে আমাদের অনেক পণ্য কমিয়ে আনতে হবে। যেসব পণ্য অসঙ্গতিপূর্ণ সেগুলো কমিয়ে আনতে হবে। ভ্যাট আইনে ১৪৭টি পণ্যের সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি থাকবে। স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির কারণ যেসব পণ্য, সেসব পণ্যে সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি থাকবে বলে জানান তিনি। আগামী দুই বছরের মধ্যে এসব অসঙ্গতি দূর করতে হবে। সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি দিয়ে এডিশনাল ডিউটির স্থান পূরণের যে প্রবণতা তা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আয়কর খাতে জনবলের সংকট উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, আয়কর খাতের ব্যাপক জনবল সংকট রয়েছে। প্রায় সাড়ে চারশ’ কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে পিএসসি’র কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

খালাস ১২২টি গাড়ি
বাজেটে অবচয় সুবিধা বাড়ানোর পরও মাত্র ১২২টি গাড়ি খালাস হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, চলতি বাজেটে নতুন ও পুরোনো গাড়ির শুল্ক সমান করে অবচয় সুবিধা দেওয়া হয়। দুই বন্দরে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার গাড়ি আটকে রয়েছে। এর মধ্যে নয় মাসে মাত্র ১২২টি গাড়ি ছাড় হয়েছে। এক্ষেত্রে এনবিআর ও আমদানিকারকদের কিছু ভুল রয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি। তবে এসব গাড়ি ছাড়ের বিষয়ে সরকার ভাবছে। অটোমেশন সম্পর্কে চেয়ারম্যান বলেন, অটোমেশনের আওতায় আনার ফলে রাজস্ব প্রশাসনে গতি ফিরে এসেছে। এর মধ্যে প্রায় ১১ লাখ ই-টিআইএন নিবন্ধিত হয়েছে।

প্রতি বছর ৫০-৬০ হাজার হলেও এবার আড়াই লাখ নতুন নিবন্ধিত হয়েছে। অ্যাসাইকুড়া ওয়ার্ল্ড মাধ্যমে সব শুল্ক স্টেশনকে একই সফটওয়ারে আনার ফলে স্টেশনের কাজে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা এসেছে। তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এলসি খোলা কমে গেছে। জানুয়ারি থেকে এলসি খোলা বেড়ে গেছে। এটিও অর্থনীতির জন্য শুভ দিক।

বিভিন্ন খাতে সরকারের বকেয়া কয়েকশ’ কোটি টাকা
সরকারের কাছে কয়েকশ’ কোটি রাজস্ব বকেয়া উল্লেখ করে গোলাম হোসেন বলেন, সরকারের বিভিন্ন খাতে কয়েকশ’ কোটি টাকা রাজস্ব বকেয়া রয়েছে। অর্থমন্ত্রী ও সরকারের বিভিন্ন বিভাগে বকেয়া আদায়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মামলায় বকেয়া রাজস্ব ও এডিআর নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে চেয়ারম্যান বলেন, মামলা জটিলতায় প্রায় একশ’ কোটি টাকা রাজস্ব বকেয়া রয়েছে। এডিআর গঠন করা হলেও জনবল, কাজের গতি আর অসযোগিতার জন্য এ খাতে সফলতা আসছে না। তবে রাজস্ব বোর্ডের সাবেক আটজন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিয়ে এ খাতে সফলতা আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এমপি-মন্ত্রীদের আয়কর ফাইল খতিয়ে দেখা হচ্ছে
এমপি, মন্ত্রী, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের আয়কর ফাইল খতিয়ে দেখা হচ্ছে জানিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আয়কর ফাঁকি দিচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে আইনের ১৬৩ ধারা অনুসারে প্রকাশ করা যাবে না। আগামী অর্থবছরে বাজেট প্রণয়নে সবার সহযোগিতা চেয়ে চেয়ারম্যান বলেন, সবার সহযোগিতা পেলে আগামী বাজেটে আমরা কোনো দিকে ঠেকবো না।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ