ষ্টাফ রিপোর্টার (বিডিসময়২৪ডটকম)
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামা অনুযায়ী যাদের তলব করা হয়েছে তাদের অনেকের সম্পদের হিসাবে ‘গড়মিল’ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জিজ্ঞাসাবাদে অনেকের সম্পদে ‘অসঙ্গতি’ পেয়েছে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি। বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থার কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু এমন তথ্যই জানিয়েছেন।
চুপ্পু বলেন, আমারা যাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছি তাদের অধিকাংশই জিজ্ঞাসাবাদে হাজির হয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদে অনেকের সম্পদের হিসাবেই অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। তবে অনুসন্ধানের স্বার্থে এ মুহূর্তে কোনো কিছু প্রকাশ করা যাবে না।
তিনি বলেন, আমাদের কর্মকর্তারা শুধু তাদের দেওয়া হলফনামা বা আয়কর বিবরণীই পর্যালোচনা করছেন না। তাদের আরও কোনো সম্পত্তি আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্বাধীনতার পর থেকে সব সরকারই কম-বেশি দুর্নীতি করেছে। তবে বিগত জোট সরকারের সময় দুর্নীতিতে দেশ যেভাবে নিমজ্জিত ছিল, তা থেকে অনেকটাই বের হওয়া গেছে। তবুও তা নিয়ে ‘ক্রিটিসাইজ’ থাকবে বলে মন্তব্য করেন দুদক কমিশনার।
দুদকের অন্যতম এ নির্বাহী আরও বলেন, বিগত জোট সরকারের অনেকগুলো নেতার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ও অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। আমরা কিছু কিছু অভিযোগ খতিয়ে দেখছি, তবে কাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তা এখনই কিছু বলা যাবে না।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ইতোমধ্যেই দুদক কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান, ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আসলামুল হক, সাতক্ষীরা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ জব্বার এবং সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।




