শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়উপজেলা নির্বাচনে বিশৃংখলা রোধে আইন শৃংখলা বাহিনী সজাগ রয়েছে: সিইসি

উপজেলা নির্বাচনে বিশৃংখলা রোধে আইন শৃংখলা বাহিনী সজাগ রয়েছে: সিইসি

ষ্টাফ  রিপোর্টার  (বিডিসময়২৪ডটকম)

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ বলেছেন, নির্বাচনের আগে ও পরে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় বিশেষ নিদের্শনাসহ সকল ভোটারদের শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেয়া নিশ্চিত করতে আইন শৃংখলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বুধবার শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে চতুর্থ উপজেলা নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি ও আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসক, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সেনা মোতায়েনের বিষয়ে সিইসি বলেন, নির্বাচনের আগে দুইদিন ও পরে দুইদিন সহ মোট পাঁচদিন সেনা বাহিনী মাঠে থাকবে। সঙ্গে অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবে। প্রার্থীর হলফনামার বিষয়ে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়েছে। যে কেউ চাইলে তা সংগ্রহ করতে পারবে। আমরা শীঘ্রই ওয়েবসাইটে তা দিয়ে দেব।

সিইসি বলেন, আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা আমাদের বলেছেন তারা কোন প্রকার সহিংসতার আশঙ্কা করছে না। তবুও আমরা জেলা প্রশাসকদের সার্বিক পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছি। আমরা প্রতিনিয়ত সবকিছু পর্যবেক্ষণ করব।

চতুর্থ উপজেলা নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ৬ ফেব্রুয়ারি বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে বৈঠক স্থগিত করে কমিশন। বৈঠকে জেলা প্রশাসকেরা নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করেন। তারা বলেন, আইন শৃংখলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। যে কোন বিশৃংখলা রোধে আইন শৃংখলা বাহিনী সজাগ রয়েছে।

প্রার্থীদের প্রচারণা ও ভোটারদের শান্তিপূর্ণ ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে আইন শৃংখলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়। নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাস্তান ও সহিংসতাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া পাশাপাশি কোন রাজনৈতিক নেতা বা কর্মীর বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক বা বৈষম্যমূলক আচরণ না করতে সজাগ থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়।

প্রার্থীদের আচরণবিধি লংঘনে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি কেন্দ্রে একজন পুলিশ (অস্ত্রসহ), অঙ্গীভূত আনসার একজন (অস্ত্রসহ), অঙ্গীভূত আনসার দশ জন (মহিলা-৪, পুরুষ-৬ জন) এবং আনসার একজন (লাঠি সহ) ও গ্রাম পুলিশ একজন করে আইন শৃংখলার দায়িত্বে থাকবে। পার্বত্য এলাকা, দ্বীপাঞ্চল ও হাওর এলাকায় এ সংখ্যা শুধুমাত্র পুলিশের ক্ষেত্রে দুইজন হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ