শুক্রবার, অক্টোবর ২৩, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়আ স ম ফিরোজের সংসদ সদস্য পদের বৈধতা প্রশ্নে হাইকোর্ট রুল জারি...

আ স ম ফিরোজের সংসদ সদস্য পদের বৈধতা প্রশ্নে হাইকোর্ট রুল জারি

ষ্টাফ  রিপোর্টার  (বিডিসময়২৪ডটকম)

সরকার দলীয় চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের সংসদ সদস্য পদের বৈধতা প্রশ্নে আজ হাইকোর্ট থেকে একটি  রুল জারি করা হয়েছে। ঋণ খেলাপির অভিযোগ থাকায় চিফ হুইপ আ স ম. ফিরোজের সংসদ সদস্যপদ কেন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তার কারণ চেয়েছে হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করা হয়েছে।

পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হকের দায়ের করা একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি হাবিবুল গনি সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেন।  পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য আসম ফিরোজ  সহ  জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশনের সচিব, আইন সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর পরিচালক, সোনালী ব্যাংকের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক, ওই ব্যাংকের বৈদেশিক বিনিয়োগ শাখার উপমহাব্যবস্থাপক, পটুয়াখালী জুট মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তাকে চার সপ্তাহের মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়, মনোনয়নপত্র দাখিলের চার দিন আগে ২৭ নভেম্বর ঋণ পুনঃতফসিল করেন আ স ম ফিরোজ। বাংলাদেশ ব্যাংক পরদিন তা অনুমোদন করে। ফলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ (এম) ধারা অনুসারে তিনি সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য নন। কারণ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে মনোনয়নপত্র দাখিলের অন্তত ৭ দিন আগে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল করতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর তথ্যমতে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি খেলাপি ছিলেন।

সিদ্দিকুর রহমান খান আদেশের পর সাংবাদিকদের বলেন, ওই সময় প্রার্থী হতে চাওয়া অন্য এক ব্যক্তি এ নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন। তবে সেই আপত্তি আমলে নেননি রিটার্নিং কর্মকর্তা।

আদালতে আবেদনকারী পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার এবিএম সিদ্দিকুর রহমান খান ও  রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোখলেসুর রহমান।

আবেদনকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার এম মাইনুল ইসলাম  বলেছেন , আইন অনুসারে কোনো ঋণ তিনবারের বেশি পুনঃতফসিল করা যায় না। অথচ ফিরোজের ওই ঋণ এ নিয়ে মোট আটবার পুনঃতফসিল করা হয়েছে। এই পুনঃতফসিলে সোনালী ব্যাংক ১৩ কোটি ৫১ লাখ ৮২ হাজার ৬৪ টাকা মওকুফ করে। এখনো সেখানে তার ২০ কোটি ৪০ লাখ ২৩ হাজার ২১৩ টাকা ঋণ বহাল রয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ