আগামী কয়েকমাসের মধ্যে জাতীয় সংসদও সোলার সিস্টেমের আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকালে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সরকার নানারকম পদক্ষেপ নিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় আগামী কয়েকমাসের মধ্যে জাতীয় সংসদও সোলার সিস্টেমের আওতায় আসবে।
সংসদে দেয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবদিয়া এলাকায় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রস্তাবিত এই টার্মিনালের মাধ্যমে ডিসেম্বর ২০২৮ সালের মধ্যে এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী জানান, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশে এলএনজি আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি পণ্যে আয়কর পরিহার করা হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে যারা রুফটপ সোলার স্থাপন করবেন তাদের থেকে ১০.৫০ টাকা দরে ক্রয় করবে সরকার। এটা আগামী তিন বছর চলবে। এছাড়া সরকারি বিভিন্ন স্থাপনায় জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীদের জন্য লিথেনিয়াম ব্যাটারির স্ট্যান্ডার্ড ফিক্স করে দিবে সরকার। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য লোনের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। যারা ইন্ড্রাস্টিয়ালভাবে সোলার প্যানেল স্থাপন করবে, তাদের কাচামালের ওপর ট্যাক্স মওকুফ করা হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশিয় উৎস থেকে কয়লা উত্তোলন করা হবে। পরিবেশ ও সেখানে বসবাসকারী মানুষদের বিকল্প আবাসন ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিয়েই সেই প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, জ্বালানিখাত ও বিদ্যুৎখাতে আগামী ১০ বছরের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। কিছুদিনের মধ্যেই ওই সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী তা উপস্থাপন করবেন।




