বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনইউসিবির সাবেক চেয়ারম্যান সবুরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ইউসিবির সাবেক চেয়ারম্যান সবুরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করেছেন আদালত। ১২ আগস্ট চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. হাসানুল ইসলাম এ পরোয়ানা ইস্যু করেন। দুদক পিপি মোকাররম হোসাইন বলেন, এ মামলায় চার্জশিট দাখিল হয়ে চার্জগঠন, এমনকি সাক্ষ্যগ্রহণও প্রায় শেষের দিকে। কিন্তু এম এ সবুর কিছুদিন আগে মামলায় চার্জশিট দাখিল হয়নি উল্লেখ করে উচ্চ আদালত থেকে ৪ সপ্তাহের জামিন নিয়ে নেন। ৪ সপ্তাহের উক্ত জামিনের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। এরই ভিত্তিতে আজকের (গতকাল) ধার্য্য তারিখে তার আদালতে হাজির হওয়ার কথা। কিন্তু তিনি হাজির না হয়ে সময় চেয়ে আবেদন করেন। আমরা দুদকের পক্ষে এতে আপত্তি জানায়। একপর্যায়ে আদালত আমাদের আপত্তি আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করেন।

গত বছরের ২৪ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের উপ–পরিচালক মশিউর রহমান বাদী হয়ে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম–১ এ মামলাটি দায়ের করেন। দুদক জানায়, ৩১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও তদন্তে ৩৬ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এরই প্রেক্ষিতে দুদক প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে জাবেদ ও তার স্ত্রী রুকমীলা জামানসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে গত ৫ জানুয়ারি চার্জশিট দাখিল করা হয়। এরপর ১১ মার্চ ৩৬ জন আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক।

চার্জশিটে বলা হয়, জাবেদের মালিকানাধীন আরামিট লিমিটেডের প্রোটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহ চৌধুরীকে ব্যবসায়ী সাজিয়ে ভিশন ট্রেডিং নামে একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী দেখানো হয় এবং ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর মিথ্যা তথ্য ও জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে ইউসিবি পোর্ট শাখায় একটি হিসাব খোলা হয়। ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ভিশন ট্রেডিংয়ের নামে গম, মসুর, ছোলা, হলুদ ও মটর ক্রয়ের কথা উল্লেখ করে ১৮০ দিনের জন্য ২৫ কোটি টাকার টাইম লোনের আবেদন করা হলে জামানত ছাড়াই উক্ত আবেদন মঞ্জুর হয় এবং একই বছরের ১২ মার্চ উক্ত ঋণটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। আত্মসাৎকৃত ঋণের গন্তব্যস্থল বিষয়ে বলা হয়, আত্মসাৎকৃত অর্থ হুন্ডি ও হাওলা প্রক্রিয়ায় প্রথমে দুবাই পাচার করা হয়। পরে সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ