শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-এর পয়লা দিনে চাষিদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে তার গাড়িবহর গুলশানের বাসভবন ছেড়ে যায়। পহেলা বৈশাখের দিনে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে সদর উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন সরকারপ্রধান। প্রথম ধাপে সারা দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২১ হাজার ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।

কৃষক কার্ড বিএনপির উল্লেখযোগ্য নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে একটি। এর আগে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খালখনন কর্মসূচি চালু করেছে সরকার।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, বিশেষ অতিথি রয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু)। শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কৃষি মেলার উদ্বোধন করবেন।

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই তাঁর টাঙ্গাইলে প্রথম সফর। তাই দলীয় নেতা–কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষক, মৎস্যচাষি ও দুগ্ধ খামারিরা নগদ প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচসুবিধা, সহজ শর্তে ঋণ, কৃষিবিমাসহ মোট ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন।

কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, শুরুতে দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে কর্মসূচির প্রাক-পাইলটিং পর্যায় বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে ‘কৃষক কার্ড’ পাবেন ২০ হাজার ৬৭১ ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক। এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে দুই হাজার ৫০০ টাকা নগদ সুবিধা পাবেন তারা। আগামী চার বছরের মধ্যে সারা বাংলাদেশে কৃষক কার্ড বিতরণ শেষ হবে বলে আশা করছেন কৃষিমন্ত্রী।

পেশাজীবী হিসেবে কৃষকের স্বীকৃতি প্রদান, আয় বৃদ্ধি এবং ভর্তুকি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আগামী চার বছরে ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ কর্মসূচির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮১ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ