মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়বাবার কবরের পাশে আবেগে আপ্লুত তারেক রহমান

বাবার কবরের পাশে আবেগে আপ্লুত তারেক রহমান

পরে দোয়া ও মোনাজাত করেন তিনি। এ সময় জিয়া উদ্যানসহ আশপাশের এলাকায় জনতার ঢল নামে। তারেক রহমান ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সর্বশেষ জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করেছিলেন।

দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসিত থাকার পর গত বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন তারেক রহমান। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে বাবার মাজার জিয়ারত করেন তিনি। সেখানে ১০ মিনিটের মতো অবস্থান করেন তারেক রহমান। বাবার সমাধির সামনে যখন তিনি দাঁড়ান, তখন তাঁর চোখ অশ্রুতে ছলছল করে।

প্রথমে মা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়। পরে অশ্রুভেজা চোখে দুই হাত তুলে মোনাজাত করেন তারেক রহমান। তিনি কিছুক্ষণ একা নীরবে দাঁড়িয়ে সুরা ফাতেহা ও দরুদ পাঠ করেন। মোনাজাতের সময় তাঁকে আবেগপ্রবণ হতে দেখা যায় এবং মোনাজাত শেষে রুমাল দিয়ে চোখ মোছেন।

বিকেল ৩টার একটু আগে তারেক রহমান গুলশানের বাসভবন থেকে জিয়া উদ্যানের দিকে রওনা হন। লাল-সবুজ রঙে সাজানো বাসে চড়েই তিনি মাজার জিয়ারত করতে যান। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাস থেকে নেমে হেঁটে মাজারস্থলে যান। এ সময় নেতাকর্মীদের সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে বেশ বেগ পেতে হয়। এরপর তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশে রওনা হন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময়ে তারেক রহমানের পাশে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রমুখ।

মাজার জিয়ারত শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তারেক রহমানের দেশে ফেরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে এসেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। ২০০৬ সালের পর দীর্ঘ সময় নির্বাসিত থাকার পর তাঁর এই প্রত্যাবর্তন ছিল রাজকীয় ও অভূতপূর্ব। দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁকে সংবর্ধনা জানিয়েছে এবং আনন্দ-উচ্ছ্বাসে অংশ নিয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খুব কম নেতার পক্ষেই এমন স্বতঃস্ফূর্ত জনসমর্থন ও গণঅভ্যর্থনা পাওয়া সম্ভব হয়েছে। তরুণ ও সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব হিসেবে তারেক রহমানকে আজ দেশের মানুষ শুধু নয়, বিশ্ব গণমাধ্যমও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ