বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার

জুলাই গণহত্যার বিচার না হওয়ায় পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। দলটিকে নির্বাহী আদেশে নিষিদ্ধ করা না হলেও মানবতাবিরোধী অপরাধে বিচার করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনও সংশোধন করা হয়েছে।

আজ শনিবার রাতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তাঁর সরকারি বাসভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের তিন ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। আইন সংশোধনের অধ্যাদেশ শিগগিরি জারি হবে। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে হবে জুলাই ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করা হবে।

আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বৈঠকের পর এসব কথা বলেন। দেড় মিনিটের বক্তব্যে তিনি শুধু সরকারের সিদ্ধান্ত পড়ে শোনান। কোনো প্রশ্নের জবাব দেননি তিনি।

বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়নি। দলটি বৈধ সংগঠন হিসেবেই থাকবে। তবে সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং সাক্ষীর সুরক্ষা নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী, বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দলটি রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারবে না।

সংশোধনী অনুযায়ী, মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত দল বা সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে পারবেন আদালত। বিচারের জন্য জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় এবং পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে আগামী সোমবার রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকে বসতে যাচ্ছে সরকার।

আওয়ামী লীগকে নির্বাহী আদেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা, বিচারের মুখোমুখি করতে আইন সংশোধন এবং জুলাই ঘোষণাপত্রের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার রাতে আন্দোলনে নামেন জুলাই অভ্যুত্থানের নেতাকর্মী। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারি বাসভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভ এবং সমাবেশের পর তারা শাহবাগ অবরোধ করে টানা অবস্থান নেন।

৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের দাবি ওঠে। সর্বশেষ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটিসহ বিভিন্ন সংগঠনের দাবির মুখে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ