বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
প্রচ্ছদদেশজুড়েখালেদা জিয়ার নাইকো দুর্নীতি মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ ১ ডিসেম্বর

খালেদা জিয়ার নাইকো দুর্নীতি মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ ১ ডিসেম্বর

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ আসামিদের বিরুদ্ধে করা নাইকো দুর্নীতি মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন আগামী ১ ডিসেম্বর ধার্য করেছেন আদালত। রবিবার (১৭ নভেম্বর) আদালত এই নির্দেশ দেন। গতকাল এই মামলায় সাতজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তারা হলেন পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মো. মকবুল ই ইলাহী, সিনিয়র ম্যানেজার মো. আবদুল খালেক, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব সৈয়দ সাজেদুল করিম, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রওশন আক্তার সিদ্দিকী, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সহকারী সচিব মো. মোতাহার হোসেন, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কোহিনুর নাহার ও নুরুন আকতার।

ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মুহম্মদ আলী আহসানের আদালতে সাক্ষ্য দেন তারা। পরে তাদের জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী। সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন হওয়ার পর পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন আদালত।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া ও হান্নান ভুইয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এ দিন খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী হাজিরা দাখিল করেন।

সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর খালেদা জিয়াসহ আসামিদের বিরুদ্ধে এই মামলা করে। মামলায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়।

পরে ২০১৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্রে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতিসাধনের অভিযোগ আনা হয়। গত বছর ১৯ মার্চ কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৯ নম্বর (অস্থায়ী) বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান আসামিদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ গঠন করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল করপোরেশনের চেয়ারম্যান সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ। তাদের মধ্যে কাশেম শরীফ, মীর মইনুল হক ও কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী পলাতক রয়েছেন।

মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন ও বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমানও আসামি ছিলেন। তবে তাদের মৃত্যু হওয়ায় এই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ