অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে হাজির হয়েছেন গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (১৫ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের আদালতে বাদীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য আছে। এ জন্য ডা. ইউনূসসহ অন্য আসামিরা আদালতে উপস্থিত হয়েছেন।
১৪ জনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়নি। সোমবার (১৫ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। আদালতে ইউনূসসহ অন্য আসামিরা হাজিরা দেন। একজন সাক্ষীও সাক্ষ্য দিতে হাজির হন। তবে এ সময় ইউনূসের আইনজীবী আদালতকে বলেন, অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে আবেদন করা হয়েছে। তাই সময় মঞ্জুরের প্রার্থনা করছি।
দুদক কৌঁসুলি মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, যেহেতু এখনও উচ্চ আদালত কোনো স্থগিতাদেশ দেয়নি, তাই সাক্ষ্য নিতে বাধা নেই। শুনানি শেষে আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৫ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ১২ জুন বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত হোসেন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর এ আদেশ দেন।
গত ১ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।
জানা যায়, দণ্ডবিধি ও মানিলন্ডারিং আইনে ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর ও হস্তান্তরের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে এ চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের ৩০ মে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ সংস্থার উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।




