সোমবার, মে ২০, ২০২৪
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনস্বজনদের কাছে ফিরলেন এমভি আবদুল্লাহর ২৩ নাবিক

স্বজনদের কাছে ফিরলেন এমভি আবদুল্লাহর ২৩ নাবিক

সোমালিয়ায় জলদস্যুর কবল থেকে মুক্ত হওয়া এমভি আবদুল্লাহর ২৩ নাবিক দেশের মাটিতে পা রেখেছেন। মঙ্গলবার (১৪ মে) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে তারা এমভি জাহান মণি জাহাজে বন্দর জেটি এলাকায় আসেন।

এরপর জেটির সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ সিঁড়ি যুক্ত করা হয়। সোয়া চারটার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-১ জেটিতে  একে একে নামেন নাবিকরা। এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তাদের অপেক্ষমাণ স্বজনরা। নাবিকদের চোখে ছিল পানি, মুখে হাসি। এ হাসি যুদ্ধজয়ের।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম সোহায়েল, কেএসআরএম গ্রুপের পরিচালক, সিইও, নাবিকদের স্বজন, কেএসআরএম গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বন্দরের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা।

এর আগে দুপুরে কুতুবদিয়া বহির্নোঙরে অবস্থানরত এমভি আবদুল্লাহ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে ‘এমভি জাহান মনি ৩’ নামের লাইটার জাহাজে উঠে পড়েন ২৩ নাবিক। বন্দর জেটিতে নাবিকদের বীরোচিত সংবর্ধনা দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

কেএসআরএম গ্রুপ জানায়, এমভি আবদুল্লাহ জাহাজে ৫৬ হাজার টন পণ্য চুনাপাথর রয়েছে। এতে প্রায় ১৯০ মিটার লম্বা জাহাজটির ড্রাফট (জাহাজের পানির নিচের অংশের গভীরতার পরিমাপ) বেড়ে হয়েছে সাড়ে ১২ মিটার। জাহাজটির ড্রাফট বেশি থাকায় কুতুবদিয়ায় প্রথমে কিছু পরিমাণ পণ্য খালাস করে। এরপর পতেঙ্গার কাছাকাছি বঙ্গোপসাগরে বন্দর জলসীমায় আনা হয়। সেখানে বাকি পণ্য খালাস করা হবে। এ জন্য দেশে পৌঁছার পরও নাবিকদের ঘরে ফিরতে একটু সময় লাগেছে।

উল্লেখ্য, ৩৩ দিনের মাথায় ১৩ এপ্রিল দিবাগত রাতে জাহাজটি মুক্ত হয়। এরপর জাহাজটি প্রথমে আমিরাতের আল-হামরিয়া বন্দরে পৌঁছায়। সেখানে পণ্য খালাস শেষে আরেকটি বন্দর থেকে চুনাপাথর বোঝাই করে চট্টগ্রামের পথে রওনা হয়েছিল জাহাজটি। এ হিসেবে আমিরাত থেকে ১৩ দিনের মাথায় জাহাজটি বাংলাদেশের জলসীমায় এসে পৌঁছাল।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ