চিকিৎসায় যুক্ত থাকতে পারবেন না অধ্যাপক ডা. সংযুক্তা সাহা এমন নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শুক্রবার (১৬ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। একই সঙ্গে রাজধানীর সেন্ট্রাল হাসপাতালে সব ধরনের অপারেশন বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
হাসপাতালটিতে ভুল চিকিৎসা ও কর্তৃপক্ষের প্রতারণায় নবজাতকের মৃত্যু ও মাহবুবা রহমান আঁখি নামে এক প্রসূতিকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়ার ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক গঠিত পরিদর্শন টিম হাসপাতালটি পরিদর্শন শেষে মোট ৬টি নির্দেশনা দেয়।
জানা গেছে, মাহবুবা রহমান আঁখি নামে ২৫ বছর বয়সী এক প্রসূতি সেন্ট্রাল হাসপাতালের চিকিৎসক অধ্যাপক সংযুক্তা সাহার ভিডিও পরামর্শ দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে নরমাল ডেলিভারির আশায় সেন্ট্রাল হাসপাতালে যান। হাসপাতালে তাকে ডা. সংযুক্তা সাহার অধীনে ভর্তি করা হয়। কিন্তু সে সময় দেশেই ছিলেন না ডা. সংযুক্তা। অন্য চিকিৎসকের মাধ্যমে স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। পরে অস্ত্রোপচার করে বাচ্চা বের করা হয়। কিন্তু জন্মের পরদিনই শিশুটি মারা যায়। বর্তমানে প্রসূতি মাহবুবা রহমান আঁখির অবস্থাও সংকটাপন্ন। সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে ভর্তি করা হয়েছে ল্যাবএইড হাসপাতালের সিসিইউতে।
ওই ঘটনায় আঁখির স্বামী মুহাম্মদ ইয়াকুব আলী বুধবার রাতে ধানমণ্ডি থানায় মামলা করেন। সেখানে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়। ওই রাতেই ডা. মুনা ও ডা. শাহজাদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে হাজির করলে তারা দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠান। মামলার বাকি আসামিরা হলেন- ডা. মিলি, ডা. এহসান, অধ্যাপক সংযুক্তা সাহার সহকারী জমির এবং হাসপাতালের ব্যবস্থাপক পারভেজ।




