বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি করোনাভাইরাস (কোভিড ১৯) প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়া ( ফেইসবুক ও টুইটার) এর মাধ্যমে গত ১৬ দিনে (২২ মার্চ থেকে ০৬ এপ্রিল পর্যন্ত) দেশের ৬,২০,০০০.০০ হাজারের অধিক মানুষের কাছে জীবনরক্ষাকারী সচেতনতামূলক বার্তা পৌছিয়েছে। পাশাপাশি, সোসাইটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীবৃন্দ ও স্বেচ্ছাসেবকরা ফেইসবুকে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত বিভিন্ন সচেনতামূলক বার্তা আপলোডকরণ ও পোস্ট শেয়ারের মাধ্যমেও ফেইসবুক ব্যবহারকারীদের কাছে কোভিড ১৯ সম্পর্কিত অতি প্রয়োজনীয় সচেতনতামূলক বার্তা পৌছানের কাজটিও নিজ উদ্যোগে করে যাচ্ছেন।
রেড ক্রিসেন্ট জানায়, অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেইজ (ফেইসবুক ও টুইটার) এবং কোভিড ১৯ সম্পর্কিত বিভিন্ন গ্রæপ খুলেও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্যমূলক বার্তা প্রতিনিয়ত শেয়ার করা হচ্ছে। গত ২২ মার্চ থেকে রাজধানীসহ সারাদেশে সচেনতামূলক লিফলেট বিতরণ, প্রচার-প্রচারণাসূলক মাইকিং,স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ ও জীবাণুনাশক স্প্রে কার্যক্রমের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কাজটি শুরু হয়, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টায় করোনা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রনে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি গৃহিবিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা ও পরবর্তী কর্মপন্থা অনুযায়ী কার্যক্রম বাস্তবায়ন সম্পর্কিত এক সমš^য় সভা সোসাইটির বোর্ড রুমে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান ও আইএফআরসির গভার্নিং বোর্ডের সদস্য প্রফেসর ডা: মো: হাবিবে মিল্লাত, এমপি। এসময় সোসাইটির মহাসচিব মো: ফিরোজ সালাহ্ উদ্দিনসহ পরিচালকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন স্থান থেকে কর্মকর্তাগণ অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সমন্বয় সভায় সংযুক্ত হন।
অপরদিকে, সারাদেশে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে জনগণের মধ্যে পারস্পারিক সামজিক ও শারীরিক দুরুত্ব বজায় রাখা ও নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে বেসিন স্থাপন করাসহ হাসপাতাল, হাটবাজার, মসজিদ, মন্দির, গীর্জাসহ জনসমাগমস্থলকে জীবাণূমুক্ত করতে জীবাণুনাশক স্প্রে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। এছাড়াও সারাদেশের দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান কার্যক্রমও গ্রহণ করেছেন এই প্রতিষ্ঠানটি। ১ম পর্যায়ে রাজধানীসহ সারাদেশের ৪০ হাজার পরিবারের মাঝে ৭ দিনের জন্য ফুড পার্সেল (চাল,ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, লবন ও সুজি) বিতরণ শীঘ্রই শুরু করা হবে।




