ডেস্ক রিপোর্ট (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
এখনও ভোটার হননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। ২০১২ সালের ১০ মার্চ থেকে সারা দেশে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরু করে নির্বাচন কমিশন। ওই সময় অনেকেই ভোটার হিসেবে তালিকায় নাম নিবন্ধন করেন। হালনাগাদ করা তালিকাতেও জয়ের নাম খুঁজে পাওয়া যায়নি। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে সস্ত্রীক বসবাস করেন জয়। তিনি রংপুর থেকে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য হন ২০১০ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি।
আওয়ামী লীগের নির্বাচনি-প্রক্রিয়ার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছেন জয়। দিনবদলের সনদ আর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রূপকল্পে তার ভূমিকা রয়েছে। আগামী নির্বাচনে মা শেখ হাসিনার পাশে থেকে আওয়ামী লীগের জন্য কাজ করবেন জয়।
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুরের ‘জয়সদন’। পিতা প্রয়াত ওয়াজেদ মিয়ার পৈতৃক বাড়িটিকে নতুন করে জয়ের নামেই নামকরণ হয়েছে। জয় রংপুর থেকে ভোটার হয়েছেন কি না, জানতে চাওয়া হয়েছিল তারই চাচাতো ভাই রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শাহাদাত হোসেন বকুলের কাছে। এ নিয়ে তিনি স্পষ্ট কোনও উত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেন, জয় মনে হয় ভোটার হননি। তার ভাষায়—ভোটার তালিকা যখন হালনাগাদ করা হয়, তখন তো অনেকের নাম লিখে নিয়ে গেছে, কার্ডগুলো এখনও আসেনি। জয়ের নামে কার্ড এলে বলতে পারব তিনি আমাদের এখানে ভোটার হয়েছেন কি না।
নির্বাচন কমিশনের ভোটার তথ্য ও জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন বিভাগে যোগাযোগ করলে দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশে অনীহা জানিয়ে বলেন, প্রাথমিকভাবে তালিকায় সজীব ওয়াজেদ জয়ের নাম শণাক্ত করা যায়নি। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ঢাকা জেলার দায়িত্বরত সিনিয়র নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ শাহ আলমবলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে তিনি যদি ভোটার হতেন, তাহলে আমি জানতাম।
বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগের কয়েকজন দায়িত্বশীল নেতার সঙ্গে কথা হয়। তারাও স্পষ্ট কোনও তথ্য দিতে পারেননি। তারা জানান, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনের আগে যে ভোটার তালিকা করা হয়, সেই তালিকায় নাম ছিল না জয়ের।




