বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনভারতের ৭০তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপিত

ভারতের ৭০তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপিত

IHC ctgব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে  ভারতের ৭০তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপিত হয়েছে। চট্টগ্রামেও ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেছে। এ উপলক্ষে ২৬ জানুয়ারি রাতে নগরীর পাঁচতারকা হোটেল রেডিসন ব্লু চিটাগং বে ভিউতে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, চট্টগ্রামের সরকারি শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাবৃন্দ, বিদেশি নাগরিকবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিকসহ নগরীর গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। ভারতের প্রজাতন্ত্র
দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। অনুষ্ঠানে এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি, এম এ লতিফ এমপি, আবু রেজা মোহাম্মদ নদভী এমপি, সাইমুম সারওয়ার কমল এমপি, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখারউদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, চট্টগ্রাম চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম, ইস্পাহানী গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমান ইস্পাহানী, বিএসআরএম গ্রুপের চেয়ারম্যান আলী হোসেন আকবর আলী, সাবেক এমপি মজহারুল হক শাহ সহ নগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত ভাষণে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার অনিন্দ ব্যানার্জি। সহকারী হাই কমিশনার অনিন্দ ব্যানার্জির স্ত্রী রুনা ব্যানার্জির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ভারত সব সময় আমাদের বন্ধু হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা জাতি হিসেবে আমরা কোনদিন ভুলতে পারবো না। বাংলাদেশের সাথে ভারতের বন্ধুত্ব পরীক্ষিত। ভারত অতীতে যেমন বাংলাদেশের পাশে ছিল ভবিষ্যতেও তেমনি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে থাকবে।

স্বাগত বক্তব্যে সহকারী হাই কমিশনার অনিন্দ ব্যানার্জি বলেন, ভারত এবং বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক দিনে দিনে অনেক বেশি জোরদার হয়েছে। আমরা শুধু সুপ্রতিবেশীই নয়, ঘনিষ্ঠ বন্ধুও। গতবছর চট্টগ্রাম থেকেই এক লাখ নব্বই হাজার মানুষকে ভারতের ভিসা দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, আগের বছর এই সংখ্যা ছিল এক লাখ ষাট হাজার। এক বছরের ব্যবধানে ত্রিশ হাজার ভিসা বৃদ্ধি একটি রেকর্ড বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বাংলাদেশের মানুষদের ভ্রমনে সুবিধা করার জন্য ভারত ভিসা প্রদানে অনেক বেশী সহজিকরণ করেছে। কুমিল্লা, বিবাড়িয়া এবং নোয়াখালীতেও ভিসা সেন্টার চালু করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ভারত সব সময় বাংলাদেশের পাশে ছিল। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের পাশে থাকবে। বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নে ভারতীয়রা খুশী বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন চোখে পড়ার মতো। এই উন্নয়নে আমরা খুশী। বাংলাদেশের ভবিষ্যত উন্নয়নেও ভারত পাশে থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি শুভাশিষ সিনহা, এটাচি মনোজ দত্ত পুরকায়স্ত এবং লোকনাথ চ্যাটার্জি উপস্থিত ছিলেন।

ভারতীয় দূতাবাসের সহকারী হাই কমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জী বলেন, প্রতিবেশি হিসেবে আমাদের মধ্যে কিছু সমস্যা থাকতে পারে। সেগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। আমরা আলোচনার মাধ্যমে বহুদিনের অমিমাংসিত ছিটমহল সমস্যার সমাধান করেছি। বাকি সমস্যাও আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারব। এখন আমাদের কাজ হচ্ছে বন্ধুত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। এরপর আবৃত্তিশিল্পী রাশেদ হাসান কবিতা আবৃত্তি করেন। নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পী প্রমা অবন্তীর দল।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ