ব্যারিস্টার নওফেল বলেন, চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা পারিবারিক ঐতিহ্যের ভিত্তিতে ব্যবসা করেন। সময় এসেছে, সচেতন হতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে এগিয়ে আসতে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা দায়িত্ব নেওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছেন। সরকারি দফতরে ই-নথি ফাইল হচ্ছে। অটোমেশন হওয়ায় দুর্নীতি কমেছে। এটি প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতার পরিচয়।
সভাপতির বক্তব্যে মেলার আয়োজক চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, এ জনপদে রয়েছে বিশ্বমানের বন্দর। ব্যবসা-বাণিজ্য এগিয়ে নিতে হলে আইটি খাতে ডেভলপমেন্টের বিকল্প নেই। তাই কাস্টম হাউস অটোমেশনে ভূমিকা রেখেছে চট্টগ্রাম চেম্বার। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। আইটি মেলার লক্ষ্য চট্টগ্রামকে স্মার্ট সিটি করা। আমাদের দাবি, চট্টগ্রামকে সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানী করা।
বক্তব্য দেন মেলার অপর আয়োজক সংস্থা সোসাইটি অব চিটাগাং আইটি প্রফেশনালসের সভাপতি মো. আবদুল্লাহ ফরিদ ও চেম্বারের সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ। বক্তারা বলেন, শক্তিশালী আইটি প্লাটফরম গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন। মেলায় নতুন নতুন আইসিটি পণ্যের সঙ্গে ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীরা পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন। মেলায় ভারতের দুইটিসহ ৩০টি প্রতিষ্ঠানের অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠানের স্টল রয়েছে। সোমবার (২৮ জানুয়ারি) পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।




