বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাবেক সংসদ সদস্য জননেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু’র ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনসমূহ। এ উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, কবর জেয়ারত, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জননেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু ছিলেন দলের ঐক্যের প্রতীক। তিনি সর্বক্ষেত্রে সফল মানুষ ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বাবু ভাইকে শ্রদ্ধা করতেন।
ড. কামাল হোসেনের ঐক্য ফ্রন্টকে অনৈক্য ফ্রন্ট আখ্যায়িত করে ভূমি প্রতিমন্ত্রী আলহাজ সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি বলেছেন, তাদের মধ্যে আদর্শের মিল নেই। নানাজনের নানা কথা। ঐক্যফ্রন্ট আওয়ামী লীগকে ঠেকানোর জন্যই মাঠে নেমেছে। তাদের উদ্দেশ্য নির্বাচন বানচাল করা। তারা মুখে সংলাপের কথা বলে ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐক্যফ্রন্টের চিঠি পেয়ে সংলাপে বসেছিলেন সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দেয়ার জন্য। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। রবিবার বিকেলে আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জাবেদ বলেন, আমার বাবা আলহাজ আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু মহৎ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি মানুষকে অকৃত্রিম ভালোবাসতেন। তিনি ভালো রাজনীতিবিদ ছিলেন। আমার বাবা সারাজীবন মানুষের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে গেছেন। তাঁর আদর্শ থেকে অনেক কিছু শেখার রয়েছে। সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে তাঁর উদারতা ছিল। তিনি নেতাকর্মীদের কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর বিজয় ছিনিয়ে আনতে মাঠে কাজ করুন। আনোয়ারা-কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হাইলধর শহীদ বশিরুজ্জামান স্মৃতি কেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক এম.এ মান্নান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী, আনোয়ারা উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ তৌহিদুল হক চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, এডভোকেট মুজিবুর রহমান, দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী চেমন আরা তৈয়ব, দক্ষিণ জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ইসলাম মাহমুদ, যুবলীগের সভাপতি আ.ন.ম টিপু সুলতান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাতকানিয়া পৌরসভার মেয়র মো. জুবায়ের। সভায় দক্ষিণ জেলা নেতৃবৃন্দসহ আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ : দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেছেন, বাবু ভাই একজন ধনাঢ্য ব্যক্তি হলেও তার বাড়িতে সর্বসাধারণের অবাধ যাতায়াত ছিল। নেতৃত্বের মধ্যে বিতর্ক থাকলেও ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে তিনি সৌজন্যতা দেখাতেন। গণমানুষের নেতা ছিলেন আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু ভাই। তিনি ব্যবসায়ীদের সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং তাদেরও নেতা ছিলেন। দলের ঐক্যের প্রতীক আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু সর্বক্ষেত্রে সফল মানুষ ছিলেন। আখতারুজ্জামান চৌধুরী সকল পরিচিতি ছাপিয়ে রাজনীতিবিদ পরিচয়েই স্বাচ্ছন্দবোধ করতেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বাবু ভাইকে শ্রদ্ধা করতেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সোনার বাংলা গড়তে পারলেই বাবু ভাইয়ের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো হবে এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতির উজ্জ্বল নাম আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু’র স্মৃতি অম্লান হয়ে থাকবে। আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, নিজ গুণে সাধারণ মানুষের কাছে বেঁচে আছেন জননেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী। সকল প্রলোভনকে উপেক্ষা করে তিনি আওয়ামী লীগে বিশ্বস্ততার সাথে ছিলেন। তিনি আমাদেরকে ত্যাগের শিক্ষা দিয়েছেন। স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সহ-সভাপতি আবুল কালাম চৌধুরী, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান চেয়ারম্যান, সহ-সভাপতি এড. একেএম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক এমপি চেমন আরা তৈয়ব, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. মির্জা কছির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এড. জহির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ দাশ, শ্রম সম্পাদক খোরশেদ আলম, দপ্তর সম্পাদক আলহাজ আবু জাফর, শিক্ষা সম্পাদক বোরহান উদ্দিন এমরান, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. তিমির বরণ চৌধুরী, ধর্ম সম্পাদক এড. আবদুল হান্নান চৌধুরী মঞ্জু, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আবদুল কাদের সুজন, প্রচার সম্পাদক নুরুল আবছার চৌধুরী, বন ও পরিবেশ সম্পাদক এড. মুজিবুল হক, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ হায়দার শাহীন, উপ-দপ্তর সম্পাদক বিজয় কুমার বড়–য়া, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বিজন চক্রবর্ত্তী, মাহবুবুল আলম শিবলী, এ কে আজাদ, শাহিদা আক্তার জাহান, এস এম ছালেহ, চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, আওয়ামী লীগ নেতা আরিফুল ইসলাম, সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন পাপ্পু, তারেকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি এস এম বোরহান উদ্দিন প্রমুখ। সকালে জননেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ তাঁর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান এবং কবর জিয়ারত করেন।
উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ : চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে গ্রামের বাড়ি হাইলধরে আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, মোনাজাত ও জেয়ারত করা হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালামের নেতৃত্বে অংশগ্রহণ করেন সংগঠনের সহ সভাপতি অধ্যাপক মো. মঈনুদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর মেয়র দেবাশীষ পালিত, কার্যনির্বাহী সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলহাজ জাফর আহমেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ ইদ্রিস প্রমুখ।
দক্ষিণ জেলা যুবলীগ : দক্ষিণ জেলা যুবলীগের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল চট্টগ্রাম শাহ আমানত শাহ (রহ.) মাজারে দুপুরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব হাফেজ মোহাম্মদ আনোয়ার। এতে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সভাপতি আ.ম.ম টিপু সুলতান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক পার্থ সারথী চৌধুরী, সহ সভাপতি শহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক সোলেমান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক কৃষ্ণ প্রসাদ ধর, অর্থ সম্পাদক মো. সেলিম উদ্দিন, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক অরুপ সেন, আইন সম্পাদক বাহাদুর, সহ দপ্তর সম্পাদক রাজু দাশ হিরো, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক বেলাল হোসেন মিঠু, শহিদুল ইসলাম, সহ আইন সম্পাদক এড. কামাল উদ্দিন, চন্দনাইশ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক তৌহিদুল আলম, কর্ণফুলী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. সোলায়মান তালুকদার, পটিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রহিম, কর্ণফুলী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম হক, সাতকানিয়া যুবলীগের মো. ওসমান, বোয়ালখালী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি, পটিয়া পৌরসভা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, বাঁশখালী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাকসুদ, চন্দনাইশ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মুছা তছলিম, উপজেলা যুবলীগ নেতা দিদারুল আলম, মঞ্জুরুল আলম, আবদুর রহমান জুনু, দিদারুল আলম, মো. জসিম, মো. আরিফ মঈনুদ্দিন, অমল রুদ্র, জয়নাল আবেদীন, আবদুর রহিম, মিল্টন ধর, আফছার আহমদ মানিক, মো. জালাল উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন, ফোরক আহমদ, মফিজুর রহমান মুন্না, আবদুল্লাহ আল মামুন, আবু তৌহিদ, আবু তৈয়ব, ফাহিম মাহবুব, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ নেতা আনিসুল ইসলাম নিলয়, এস এম মহিনুল করিম প্রমুখ।
দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ : আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেন দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সভাপতি মো. জোবায়ের, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব, সহ-সভাপতি শাহেদুর রহমান, নুরুল আবছার তালুকদার, তৌহিদুল ইসলাম রহমানী, মোহাম্মদ ইউসুপ, আব্দুল মালেক খান, এস, এম কৈয়ম উদ্দীন, আলী আকবার, এড. আবুল ফয়েজ চৌধুরী, ইমরান খান, যুগ্ম সম্পাদক জাফর ইকবাল তালুকদার, এডভোকেট রোকনুজ্জামান মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক কায়েস সরোয়ার সুমন, আবু সাদাত এস, এম সায়েম, আব্দুল ওয়াজেদ সিদ্দিকী, শফিউল আলম লিটু, জায়েদ বিন কাসেম, দপ্তর সম্পাদক উজ্জ্বল ধর, প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন মন্জু, প্রকাশনা সম্পাদক প্রকৌশলী রাশেদুল আবেদীন, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আরাফাতুল চৌধুরী, নাট্য বিষয়ক সম্পাদক পীযুষ দত্ত, উপ দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন লিটন, সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম সায়মুন, সদস্য আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক প্রবীর মিত্র প্রমুখ।
পটিয়ায় কর্মসূচি : পটিয়ায় আখতারুজ্জমান চৌধুরী বাবু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পটিয়া বাসস্টেশন সংলগ্ন সাবেক মহকুমার জামে মসজিদে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আসরে নামাজ শেষে সংগঠনের সভাপতি পটিয়া পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর গোফরান রানা সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল হক আল্লাই, এম নাসির উদ্দিন পদœা, এম এন এ নাছির, সাজ্জাদ সুমন, ইউসিবিএল ব্যাংক পটিয়া শাখার ম্যানেজার জাহাঙ্গীর কবির, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তারেকুর রহমান তারেক, জেলা ছাত্রলীগ নেতা শাহারিয়ার শাহজাহান, তসলিম রায়হান রিপন, মো. কায়সার, শোয়েব খান মুন্না, আরফাতুল ইসলাম, আসিফ, সোহেমেল, মো. ওয়াহিদ, মিনহাজুল হক, রাজু, আবু সাঈদ তাহসিন, আবু তাহের আদনান, মো. শওকত, নজরুল ইসলাম মুন্ন, তৌহিদুল ইসলাম, সাহেদ হাসান, মো. মোরশেদ প্রমুখ। পরে মরহুম আখতারুজ্জমান চৌধুরী বাবুর আত্নার মাগফেরা কামনা করে দোয়া মাহফিল শেষে মোনাজাত করেন মাওলানা মো. শওকত। সকালে এ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আনোয়ারায় মরহুমে কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে কবর জেয়ারত করেন।
এদিকে পটিয়া যুবলীগের উদ্যোগে সকালে আনোয়ারাস্থ তাঁর কবরে যুবলীগের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও জেয়ারত করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রহিম, সহ সভাপতি হাসান উল্লাহ চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষ্ণ প্রসাদ ধর, পটিয়া পৌরসভা আওয়াামী লীগ নেতা শহিদুল আলম চৌধুরী, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. টিপু, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সম্পাদক মাস্টার রিটন নাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুল হক রাশেদ, মোহাম্মদ দিদারুল আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এনামুল হক মজুমদার, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. আবু তাহের, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য রনধীর দে, ওয়াসিম আহমেদ, আব্দুল করিম, আলী আজম, আব্দুল মাজেদ টিটু, সাইফুল ইসলাম, তাজুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন, মোহাম্মদ এরশাদ, শেখ মনির, মো. কুতুব, এরশাদ হোসেন, মোহাম্মদ বশর, মো. শিবলু, মোহাম্মদ জাবেদ চৌধুরী, মোহাম্মদ মনসুর, মো. মোরশেদুল হক আকবরী প্রমুখ।




