ডেস্ক রিপোর্ট (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
আসন্ন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে ভোটারদের নম্বর ও ভোটকেন্দ্র জানিয়ে দেয়া হবে। ভোটারদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ জানান, যারা ভোটার হওয়ার সময় নির্ধারিত আবেদনপত্রে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়েছিলেন, নির্বাচনের আগে সে নম্বরেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোট সংক্রান্ত তথ্য পেয়ে যাবেন। ভোটার হওয়ার সময় যাদের মোবাইল নম্বর ছিল না বা আবেদনে উল্লেখ করেননি, তাদের জন্যও ব্যবস্থা করছে ইসি। শাহনেওয়াজ বলেন, ভোটের দিন মোবাইলে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর লিখে একটি নির্দিষ্ট নম্বরে এসএমএস করলে সঙ্গে সঙ্গে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্র জানিয়ে দেবে কমিশন। এর আগে সিটি কর্পোরেশন ও পৌর নির্বাচন এসএমএসের মাধ্যমে ভোটার নম্বর ও কেন্দ্র জানার ব্যবস্থা করেছিল ইসি। এবার বড় পরিসরে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য জানানোর এই উদ্যোগ নিচ্ছে ইসি।
কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, সাধারণত প্রার্থী বা এজেন্টের মাধ্যমে ভোটের তথ্য সংগ্রহ করেন ভোটাররা। ভোটের আগে ভোটার নম্বর ও কেন্দ্র জানতে বেশ ঝামেলায় পড়তে হয় অনেককে। এ নিয়ে তাদের তাড়াহুড়ো বা উদ্বেগ নিরসনে ইসির এ উদ্যোগ।
কমিশনের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ফরহাদ হোসেন বলেন, ইসির অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ জানান, এবার ভোটার তালিকায় মৃত ও স্থানান্তরিত ভোটারের ক্রম উল্লেখ থাকবে। ২০০৮ সালের তালিকা হওয়ার পর সবার ভোটার ক্রম আলাদাভাবে রয়েছে। স্থানান্তরিত বা মৃতদের নাম ভোটারক্রম থেকে বাদ দিতে গেলে সমন্বয়হীনতা দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে তালিকায় নাম থাকবে না তাদের, শুধু ভোটারক্রমের পাশে মৃত বা স্থানান্তরিত এলাকার নাম উল্লেখ থাকবে। এতে কেউ জাল ভোট দেয়া বা কারচুপি করার সুযোগ পাবে না বলে মনে করছেন ইসি।
ইসি কর্মকর্তারা আরো জানান, ভোটার তালিকা ছাপানোর ক্ষেত্রেও কিছুটা পরিবর্তন আনা হচ্ছে। মৃত ভোটার ও স্থানান্তরিত ভোটারদের ক্রমিক নম্বরের পাশে যথাক্রমে ‘কর্তন করা হয়েছে’ ও ‘স্থানান্তরিত হয়েছেন’ উল্লেখ থাকবে। তবে নির্দিষ্ট আসনের ভোটার তালিকার উপরে মোট ভোটার সংখ্যা লেখা থাকবে।




