বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
প্রচ্ছদরাজনীতিবাস-ট্রাক-লঞ্চ চালকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ চালক গড়ার দাবি

বাস-ট্রাক-লঞ্চ চালকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ চালক গড়ার দাবি

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে ঈদ পুর্নমিলনী ও মতবিনিময় সভা ৪ জুলাই ২০১৮ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফ আলী হাওলাদারের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী দিদার বখ্ত, প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টি জেপি’র নির্বাহী সম্পাদক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক উপ-মন্ত্রী জনাব সাদেক সিদ্দিকী, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল, জাতীয় পার্টি (জেপি)’র যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক নাসির উদ্দিন জুয়েল, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আফরিজ হাওলাদার, বাংলাদেশ মুক্তি আন্দোলনের ঝালকাঠি জেলা সভাপতি রাজিব তালুকদার, শরীয়তপুর জেলা সভাপতি রাজিব হোসেন রাজু, সাতক্ষীরা জেলার আহ্বায়ক আঃ হাফিজ, দপ্তর সম্পাদক মোঃ সোহাগ মিয়া, বাংলাদেশ মুক্তি আন্দোলনের প্রতিবন্ধী শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি আলমগীর হোসেন মন্ডল, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলনের ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক অলিউল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ। প্রধান আলোচকের বক্তব্যে সাদেক সিদ্দিকী বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে মুক্তিযোদ্ধার পক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নিয়ে দরিদ্র ও ক্ষুধামুক্ত দেশ গড়ে তুলতে শেখ হাসিনার সরকারকে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে মোঃ আশরাফ আলী হাওলাদার প্রথমেই নেতা-কর্মীর সাথে মতবিনিময় করেন ও তাদের এলাকার খোঁজ খবর নেন। এ সময় তিনি নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদমুক্ত ও মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় অনেক মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহত পরিবারদের সম্মানযোগ্য সাহায্য-সহযোগীতা করতে হবে। যারা আহত হয়েছে তারা বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদেরকে সরকারীভাবে উন্নত চিকিৎসা করতে হবে। অযোগ্য চালক দ্বারা গাড়ী চালানো বন্ধ করতে হবে। ফিটনেসবিহীন বাস, ট্রাক, লঞ্চ সম্পূর্ণভাবে চালানো বন্ধ করতে হবে। সড়ক, নৌ মন্ত্রণালয়ে সরকারীভাবে চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রশিক্ষণ চলাকালীন তাদেরকে সম্মানীভাতা প্রদান করতে হবে। সর্বনিু ৩ মাসের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ চালক গড়তে হবে এবং ৩০ বছরের নিচে কোনো চালক ভারী যানবাহন চালাতে পারবে না এবং প্রতিযোগীতামূলক গাড়ী চলাচল বন্ধ করতে হবে। সিটিং সার্ভিসের নামে যাত্রীদের হয়রানী বন্ধ করতে হবে। গাড়ী চালানো অবস্থায় কোনো মোবাইল ফোন চালক বা হেলপার ব্যবহার করতে পারবে না। প্রতিটি গাড়ীতে ২ জন করে চালক থাকতে হবে, ২ জন হেলপার থাকতে হবে। ৫-৬ ঘন্টার বেশী একজন চালকও গাড়ী চালাতে পারবে না। প্রত্যেকটি রোডে কন্ট্রোল রুম থাকতে হবে ও চেকআপম্যান এবং সিসি ক্যামেরায় গাড়ী আওতায় আনতে হবে। গাড়ী রাস্তায় নামার আগে যন্ত্রপাতি ও টায়ার চেকআপ করে রাস্তায় নামাতে হবে এবং গাড়ী ধূমপানমুক্ত রাখতে হবে। আসুন, আমরা সাবধানে চালাবো গাড়ী, নিরাপদে যাবো বাড়ী। একটি দুর্ঘটনা, সারা জীবনের কান্না। আমি সাবধানে থাকি, অন্যকেও সাবধানে রাখি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ