মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
প্রচ্ছদটপঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়ি ও যাত্রীবাহী গাড়ি বন্ধ সোমবার

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়ি ও যাত্রীবাহী গাড়ি বন্ধ সোমবার

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ভয়াবহ যানজট সহনীয় পর্যায়ে আনতে ১৪ মে সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম থেকে কোনো যাত্রীবাহী গাড়ি না ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ (চট্টগ্রাম)। ১৩ মে বেলা সোয়া একটায় পরিষদের সদস্যসচিব মৃণাল চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এখন থেকে প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত চট্টগ্রাম অলংকার থেকে শুরু করে সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, ফেনী, কুমিল্লা পর্যন্ত মহাসড়কে ঢাকামুখী কোনো গাড়ি ছাড়া হবে না। ফেনীর ফতেপুর, মেঘনা সেতু, সীতাকুণ্ডের বড় দারোগাহাট স্কেলসহ বিভিন্ন স্থানে দুঃসহ যানজট সহনীয় করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই সময় গাড়ি ছাড়া আর না ছাড়া সমান হয়ে গেছে।

আন্তঃজিলা মালামাল পরিবহন ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি মুনির আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক দীন মোহাম্মদ বলেন, আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সোমবার সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত আমরাও পণ্যবাহী গাড়ি ছাড়ব না।  মহাসড়কে ভয়াবহ যানজট নিরসনে এ উদ্যোগ সহায়ক হবে বলে মনে করি আমরা।

তারা বলেন, মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়িগুলো দিনের পর দিন আটকে আছে।  চালক ও সহযোগীরা খাবার কিনে খাবে সে উপায়ও নেই।  নিরাপত্তার প্রশ্নও জড়িত।  তাই ১২ ঘণ্টা গাড়ি না ছাড়লে যদি যানজট সহনীয় হয় তবে সেই ত্যাগটুকু আমরা অবশ্যই করবো। দীন মোহাম্মদ বলেন, কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম আসতে আমার ১৪ ঘণ্টা লেগেছে। তা-ও ঘুরপথে অলিগলি দিয়ে।

চট্টগ্রাম ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতা নুরুল আবছার বলেন, আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের কর্মসূচির সঙ্গে আমরাও একাত্মতা জানিয়েছি।  কারণ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন।  যেকোনো মূল্যে এ মহাসড়কের যানজট নিরসন করতে হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ