শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে পটিয়া ভূমি অফিস একধাপ এগিয়ে গেল : জেলা প্রশাসক

ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে পটিয়া ভূমি অফিস একধাপ এগিয়ে গেল : জেলা প্রশাসক

চট্রগ্রামের নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন বলেছেন ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে পটিয়া ভূমি অফিস একধাপ এগিয়ে গেল । তিনি ১৫ মার্চ পটিয়া উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বায়োমেট্টিক বা আঙ্গুলের ছাপযুক্ত ডিজিটাল হাজিরা উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে  এসব কথা বলেন ।

এসময় তাঁর সাথে ছিলেন উপজেলা নির্বাহ অফিসার মোহাম্মদ রাসেদুল কাদের, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মিল্টন রায়, ভূমি অফিসের কানুনগো আবদুস ছাত্তার, সদরের নাজির মো. কামরুল ইসলাম, অফিস সহকারী বিধান মিত্র, আবু তালেব, মোহাম্মদ সারুক হোসেন, সার্ভেয়ার মো. বদরুজ্জামান, আবুল কাশেম সহ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

এর আগে চট্টগ্রামের নবাগত জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন পটিয়ায় প্রথম বারের মতো আগমণ করলে তাঁকে পটিয়ায় ফুলেল শুভেচ্ছা জানান পটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোহাম্মদ রাসেলুল কাদের । পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি), পটিয়া এর কার্যালয় পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নির্দেশনার আলোকে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঠিক সময়ে নিয়মিত হাজিরা নিশ্চিত করতে স্থাপিত “ডিজিটাল হাজিরা” এর শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ইলিয়াছ হোসেন ।

উল্লেখ্য পটিয়া উপজেলা ভূমি অফিসে সহকারি কমিশনার হিসেবে মিল্টন রায় যোগদানের পর একে একে গ্রাহকের সেবার মান ও অফিসের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ বেড়ে যায়। তিনি অফিসের আভ্যন্তরীণ ও বর্হিবিভাগে আমুল পরিবর্তন আনেন। অফিসের পুরো এরিয়া সিসিটিভি ক্যামরার আওতাভূক্ত করা হয়। অফিসের পুরণো মুল্যবান নথিপত্র লালসালু কাপড় দিয়ে বাঁধাই করে সংরক্ষনের ব্যবস্থা করেন তিনি।

নথিপত্র রাখার জন্য নতুন একাধিক রেক তৈরি করেন। অফিসে আগত লোকজনের বসার কোন ব্যবস্থা না থাকায় লোকজন ঝড়-বৃষ্টি, রোদে বারান্দায় বিক্ষিপ্তভাবে ঘোরাঘুরি করত। তিনি তাদের জন্য অস্থায়ীভাবে বসার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু তাতেও স্থান সংকুলান না হওয়ায় এবং অফিসের কাজের ব্যাঘাত ঘটায় তিনি স্থায়ী বিশ্রামাগারের চিন্তা করেন। পটিয়ার সাবেক ইউএনও আবদুল্লাহ আল মামুনের উৎসাহ ও পরামর্শে তিনি অফিসের অভ্যন্তরে দৃষ্টি নন্দন বাগান করেন।

তিনি অফিসে সেবা গ্রহীতাদের জন্য ছায়াকুঞ্জ  নামে বিশ্রামাগার্র ব্যবস্থা করেন । ছায়াকুঞ্জ সম্পর্কে মিল্টন রায় বলেন, ভূমি অফিসে অনেক বয়স্ক লোক আসেন, আসেন অনেক নারীও। তাদের সেবা দিতেই এই প্রয়াস। তিনি বলেন, ঘরটি ছোট হলেও এটির সৌন্দর্য ও দৃষ্টিনন্দন কাঠামো আশা করি মানুষের মনে প্রশান্তি যোগাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ