বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
প্রচ্ছদটপপ্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েই কোকোর মৃত্যু!

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েই কোকোর মৃত্যু!

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েই বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আরাফাত রহমার কোকোর ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, একজন হার্টের রোগী বিদেশে বসে যখন দেখে তার মায়ের বাসভবন ট্রাক দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের উপর মরিচের গুড়া মিশানো পানি নিক্ষেপ করা হচ্ছে তখন কিভাবে সে সহ্য করতে পারে। বর্তমান নির্বাচন কমিশনার (ইসি) কে এম নূরুল হুদা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাড়ির লোক মন্তব্য করে রিজভী বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন দিয়ে দেশে কোনো অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। কারণ তিনি (ইসি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাড়ির লোক।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন নিয়ে সরকার মাষ্টার প্ল্যান করছে। যে কোনোভাবে তারা আবারো ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। কিন্তু সরকারের এই স্বপ্ন কখনো পূরণ হবে না। দেশের জনগণ তা হতে দেবে না।

সিনিয়র এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে গরু-ছাগল ভোট দিয়েছে। আর সেই ভোটের মাধ্যমে তারা আজ এমপি-মন্ত্রী। ভোট চুরি করে তারা ক্ষমতায় টিকে আছে। গদি ধরে রাখতে নানা তাল বাহানা করছে। কিন্তু এখন তারা উল্টা দোশারপ করছে বিএনপিকে। এক কথায় বলা যায় ‘চোরের মায়ের বড় গলা।

অর্থমন্ত্রীর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, এখন ৪ হাজার কোটি টাকা তার কাছে কিছুই না। আবার যদি তারা ক্ষমতায় আসে তাহলে ১৬ হাজার কোটি টাকাও অর্থমন্ত্রীর কাছে কিছু মনেই হবেনা। সহনীয় পর্যায়ে ঘুষ খাওয়ার কথা বলে শিক্ষামন্ত্রী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ঘুষ খেতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। এই শিক্ষামন্ত্রীর দ্বারা জাতি কি আশা করতে পারে, বলে প্রশ্ন রাখেন রিজভী।

তিনি বলেন, একটি সময় ছিল যখন কোথাও বিচার না পাওয়া গেলেও আদালতে বিচার পাওয়া যেত। কিন্তু এখন মনে হয় বিচারকরাও শেখ হাসিনার কাথা মতো চলে। তারই আলোকে প্রায় প্রতিদিন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে। যেটা একেবারেই অমানবিক এবং অমার্জনীয়।

রিজভী বলেন, বর্তমান সরকারের বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে। তাদের দিন শেষ। জনগণ এখন অন্ধকার থেকে আলোতে আসতে চায়। গায়ের জোরে সরকার আর বেশি দিন ক্ষমাতায় থাকতে পারবেনা। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী সোহেল, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ