দুপুর আড়াইটা থেকে শুরু হয়ে রাত সাড়ে ১১টা। দীর্ঘ ৯ ঘণ্টায় চট্রগ্রামের আনোয়ারা থেকে কক্সবাজার জেলা সদরে পৌঁছেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পথে পথে জন সমাগম। হাজার হাজার মানুষের মিছিল পেরিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। চলতি পথেই বক্তব্য দিয়েছেন ১০টি স্থানে। প্রতিটি সভায় প্রচুর জনসমাগম ঘটলেও কোনো পথসভায় তিনি পথ বন্ধ করেননি। সবাইকে সড়কের একপাশে নিয়ে রাস্তা খোলা রেখেই সভা করেছেন আওয়ামী লীগের এই সাধারণ সম্পাদক। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সড়কপথ রুদ্ধ মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টির বিপরীতে এই উদাহরণ দেখালেন ওবায়দুল কাদের।
জনতার ভিড় ঠেলে কক্সবাজারের পথে রওনা হয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বক্তৃতায় বিষয়টি বার বার উল্লেখও করেছেন। বলেছেন, দুপুর থেকে এখন রাত সাড়ে ১০টা। পথে লাখ লাখ মানুষ। কিন্তু কোথাও রাস্তা বন্ধ করেনি আওয়ামী লীগের নেতাকমীরা। পুরুষের পাশাপাশি রাস্তায় নারীদেরও ঢল নেমেছিলো। এদিকে দলের নেতা কর্মীরা তাকে অভিবাদন জানাতে কক্সবাজার সড়কে দু’টি হাতি নিয়ে আসেন।
০৪ অক্টোবর দুপুরে চট্রগ্রামে আনোয়ারায় আওয়ামী লীগের প্রয়াত প্রেসিডিয়াম সদস্য আখতারুজ্জামান বাবু’র মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভা দিয়ে তার কর্মসূচি শুরু হয়। বিকেলে চন্দনাইশের পথসভায় যোগ দেন। দুই কিলোমিটার লম্বা মানুষের একের পর এক মিছিল পেরিয়ে ওবায়দুল কাদের চন্দনাইশ স্থানীয় একটি স্কুল মাঠে জনসমাগমে বক্তব্য রাখেন।
চন্দনাইশ থেকে আবারও রওনা হন কক্সবাজারের দিকে। নিধারিত আরও চারটি পথসভা করার কথা থাকলেও পথে পথে যে ঢল নামে তাতে পথসভার সংখ্যা দাঁড়ায় ১০টিতে। এদিকে কক্সবাজার সদরে গিয়ে হোটেল কক্সটুডেতে পৌঁছাতে মধ্যরাত নেমে আসে। সঙ্গে রয়েছে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফসহ কেন্দ্রীয় কমিটির একটি টিম।




