শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬
প্রচ্ছদআরো খবর......ব্রিটিশ মেয়েরা তাদের নগ্নদেহ নিয়ে কখন সবচেয়ে সুখী

ব্রিটিশ মেয়েরা তাদের নগ্নদেহ নিয়ে কখন সবচেয়ে সুখী

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কঃ (বিডি সময় ২৪ ডটকম)

ব্রিটিশ মেয়েরা ৩৪ বছর বয়সে তাদের নগ্নদেহ নিয়ে সবচেয়ে বেশি সুখী থাকে। বয়স ত্রিশ বছর পার হলেই মেয়েরা সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের বিষয়টি নির্ধারণ করে থাকে। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। এ সময় তারা অনেক জেনে যায়, কোন খাদ্য  এবং ব্যায়াম তাদের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।

 মডেল কেলি ব্রুক ও টিভি উপস্থাপিকা ক্যারোলিন ফ্ল্যাক দুজনই নভেম্বরে ৩৪ বছরে পা দেবেন। আর উপস্থাপিকা ডোনা এয়ার ও কিট হাডসন ইতিমধ্যে ৩৪ বছরে পা দিয়েছেন। ব্রিটিশ নারীদের শতকরা ৪০ ভাগ প্রতিদিন নিজেদের   নগ্ন করে দেখেন।

 আরো ২৫ ভাগ নিজেদের সপ্তাহে একদিন নগ্ন করে দেখেন। অবশ্য শতকরা ১৬ ভাগ সৌন্দর্যপিয়াসী ব্রিটিশ নারী তাদের বলিরেখা ও খুঁতখুঁতে ভাব নিয়ে এতটা সচেতন যে, নগ্ন অবস্থায় তারা আয়নায় পর্যন্ত তাদের শরীর দেখতে চান না। নারী তার দেহের কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়ে বেশি ভাবে।

 ত্বক ও দেহের পরিচর্যা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান স্যাঙ্কচুয়ারি স্পা এক সমীক্ষায় এ তথ্য জেনেছে। নারী সবচেয়ে বেশি গর্ব অনুভব করে তার স্তন (শতকরা ৩০ ভাগ), পা (শতকরা ২২ ভাগ) এবং কাঁধ (শতকরা ১৯ ভাগ)নিয়ে।

 অবশ্য শতকরা ১০ ভাগ ব্রিটিশ নারী পেট নিয়ে অতৃপ্তির কারণে সমুদ্রসৈকতেও বিকিনি পরতে চায় না। দেশটির প্রায় অর্ধেক নারী এই গ্রীষ্মে টুপিস সুইমিং কস্টিউম পরবে (শতকরা৪৯ভাগ)। অন্যরা  পূর্ণ সুইমিং কস্টিউম বা টি শার্ট পরতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন।

 ব্রিটিশ নারীদের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ (শতকরা ৬৫ ভাগ) ফেসবুকে বিকিনিপরা ছবি পোস্ট করা ভয়াবহ রকমের বলে মনে করে। আবার নারী তার নিজের নগ্নদেহ দেখার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করতে পারে। কিন্তু তারা খ্যাতিমান নারীদের নগ্নদেহ ঠিকই নিয়মিত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে থাকে। তারা মনে করে, এলি ম্যাকফার্সনের (৪৯) দেহ বিকিনি পরার জন্য সবচেয়ে উপযোগী। তিনি দর্শকদের অর্ধেক (শতকরা ৫০ ভাগ) ভোট বাগিয়েছেন।

 কিলি মিনোগ সেরা নিতম্বের অধিকারী (শতকরা ৪৩ ভাগ) হিসেবে সমীক্ষায় শীর্ষে রয়েছে। এর পরই রয়েছে জেনিফার লোপেজ (শতকরা ৩২ ভাগ) এবং ক্যারল ভোর্ডারম্যান (শতকরা ৮ ভাগ)। হলি উইলোবির বাঁক সবচেয়ে ঈর্ষা করার মতো (শতকরা ৪৮ ভাগ)। এরপরই রয়েছে ক্যাথরিন জেটা জোন্স (শতকরা ২২ ভাগ) এবং নিগেলা লসন (শতকরা ১৭ ভাগ)।

 সমীক্ষায় সেরা বাহুর অধিকারী হয়েছেন যোগকন্যা জেনিফার অ্যানিস্টন (শতকরা ৪৭ ভাগ) এবং সাবেক ব্যালে নৃত্যশিল্পী ডার্সি বাসেল (শতকরা ২৫ ভাগ)। ডার্সির পাও যথেষ্ট ঈর্ষনীয় (শতকরা ১৬ ভাগ)। এক্ষেত্রে এগিয়ে কেবল অ্যাথলেটিক চর্চিত ক্যামেরন ডায়াজের পা (শতকরা ৩৫ ভাগ)।

 খ্যাতনামা ত্বক বিশেষজ্ঞ ও বিউটিশিয়ান নিকোলা জোস বলেন, ৩৪বছরে পা দিয়ে মেয়েদের সৌন্দর্য একধরণের পূর্ণতা পেয়ে থাকে। সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ