ডেস্ক রিপোর্ট (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান ও আইসিএল গ্রুপের এমডি এইচ এন শফিকুর রহমানকে বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পরে পুলিশ তাকে সদর দক্ষিণ থানায় এনে কিছুক্ষণ রেখে নিরাপত্তাজনিত কারণে রাত সাড়ে ১১টায় কোতোয়ালী মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।
সদর দক্ষিণ থানার পরিদর্শক আব্দুল হান্নান শুক্রবার জানান, একটি প্রতারণা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলা নং-৪০। বৃহস্পতিবার রাত ১০ টায় আইসিএল গ্রুপের এমডি এইচ এন শফিকুর রহমানকে সদর দক্ষিণ থানায় এনে কিছুক্ষণ রেখে নিরাপত্তাজনিত কারণে তাকে কোতয়ালী মডেল থানায় পাঠানো হয়েছিল। শুক্রবার তাকে কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। শফিককে গ্রেফতারের পর থানায় না নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, তার নিকট হাজার হাজার লোক কোটি কোটি টাকা পায়। থানায় নিলে পাওনাদাররা থানা ঘেরাও কিংবা ভিড় করতে পারে। তাই থানায় আনতে বিলম্ব করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার প্রায় কোটি টাকার লেনদেন রয়েছে শফিকের সঙ্গে। এক পুলিশ কর্মকর্তার নিকটআত্মীয় সদর দক্ষিণ উপজেলার উত্তর গোপাল নগর এলাকার বশির নামের লোক সদর দক্ষিণ মডেল থানায় এর আগে একটি মামলা দায়ের করেছে বলেও জানা যায়। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হচ্ছে এস আই আবির। গ্রেফতারের পর তাকে পুলিশ কর্মকর্তাদের টাকা ফেরত অথবা ন্যায্য মূল্যে জমি দলিলের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বার বার অনুরোধ করে পুলিশ প্রশাসন। সে নগদ টাকা ফেরত দিতে অক্ষমতা প্রকাশ করে এবং পছন্দমত জমি দলিল করে দিতে চায়। কিন্তু তার দেওয়া জমির মূল্য পুলিশ কর্মকর্তাদের পছন্দ না হওয়ায় এ নিয়ে চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। অবশেষে রাত ১০টায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
উল্লেখ্য যে, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত পুলিশ সুপার, সদর দক্ষিণ থানাসহ জেলা পুলিশের সকল সংস্থাই শফিকের গ্রেফতারের বিষয়টি এড়িয়ে যায়।




