চট্টগ্রাম অফিস (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
জোয়ার এলেই ডুবে যায় পাইকারি ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র খাতুনগঞ্জের কিছু দোকান আর শুঁটকিপট্টি খ্যাত আসাদগঞ্জের সড়কটি। গত ৩ দিন ধরে জোয়ার-ভাটার সময় পানির ওঠানামা নিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
শুঁটকি ব্যবসায়ী দীপক বড়ুয়া বলেন, ‘কয়েক মাস ধরে অমাবস্যা-পূর্ণিমার সময় জোয়ারের পানি উঠছে আসাদগঞ্জ সড়ক ও নিচু এলাকার শুঁটকি আড়তগুলোতে। তবে মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়ায় আড়তে শুঁটকি বেশি না থাকা এবং সপ্তাহের খোলার দিনগুলোতে জোয়ারের পানি ওঠায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত থাকায় ক্ষয়ক্ষতি খুব একটা হয়নি।’
চাক্তাই খাল নিয়মিত খনন করা হলে জোয়ারের পানি দ্রুত নেমে যেত বলে জানান তিনি।
আসাদগঞ্জের সাতকানিয়া ভাতঘরের ম্যানেজার মো. হোসেন বলেন, ‘দুপুরে জোয়ারের পানি বেশি ওঠে। দোকানের পেছনে খালের দিকে আমরা দেয়াল তুলে দিয়েছি, কিন্তু এবার সামনের রাস্তা দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে গেছে। জোয়ারের কারণে ব্যবসা লাটে উঠেছে।’
খাতুনগঞ্জের চট্টগ্রাম ডাল মিল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আহমদ রশীদ আমু বলেন, ‘জোয়ারের পানি ওঠার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ব্যবসায়ীরা নিচু দোকানগুলোর মালামাল নিরাপদ স্থানে তুলতে পেরেছেন বলে ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে।’
তিনি জানান, খাতুনগঞ্জের চেয়েও বেশি পানি উঠেছিল চাক্তাই ও আসাদগঞ্জে।
চাক্তাইয়ের চালের আড়ত মেসার্স জামাল অ্যান্ড ব্রাদার্সের ম্যানেজার প্রণব বিশ্বাস ও শওকত আলী সুজন সুপ্রভাতকে বলেন, ‘একে তো জোয়ারের পানি, তার ওপর চাক্তাই এলাকার মকবুল সওদাগর সড়ক, নতুন ও পুরান চাক্তাই সড়ক এবং চালপট্টি সড়কের উন্নয়নকাজ শেষ হচ্ছে না। নালার দেয়াল সড়কের চেয়ে উঁচু হওয়ায় বৃষ্টির পানি জমে প্রচুর কাদা জমে গেছে। গাড়ি চলাচল ও মানুষের হাঁটাচলায় বেশ অসুবিধা হচ্ছে। এদিকে এখন কোনো ধরনের গাড়িই আসতে চায় না। বেশি ভাড়া হাঁকে।’




