শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রচ্ছদটপযিনি ১৫ আগস্টে কেক কাটবেন তাঁর সঙ্গে আলোচনা নয়

যিনি ১৫ আগস্টে কেক কাটবেন তাঁর সঙ্গে আলোচনা নয়

বিএনপির সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, যে ব্যক্তি জন্মতারিখ পরিবর্তন করে ১৫ আগস্ট কেক কাটেন, তাঁর সঙ্গে কোনো আলোচনা হতে পারে না। শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক আলোচনা সভায় হাছান মাহমুদ এই মন্তব্য করেন। ‘প্রধানমন্ত্রী যদি বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসতেও চান, তাহলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বলবেন, যিনি জন্মের তারিখ পরিবর্তন করে ১৫ আগস্ট কেক কাটবেন, তাঁর সঙ্গে কোনো বিষয়ে আলোচনা হতে পারে না’, বলেন হাছান মাহমুদ।

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংলাপের প্রয়োজন—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের বিষয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপ প্রয়োজন, সরকারের সঙ্গে নয়। কারণ, নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। সরকার তার রুটিন কাজ করবে। অন্যদিকে ১৫ আগস্ট জন্মদিনের তারিখ পরিবর্তন করে কেক কাটবেন আর তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলোচনায় বসবেন?’ আওয়ামী লীগ এত দৈন্যদশায় পড়ে নাই যে তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে হবে।

বিএনপির উদ্দেশে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপির কোনো বক্তব্য থাকলে তা নির্বাচন কমিশনের কাছে করুন। নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন মনে করলে তা গ্রহণ করতে পারে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র হচ্ছে মন্তব্য করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নানামুখী ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ১৫ আগস্ট ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ৩০০ মিটারের মধ্যে যে জঙ্গি তৎপরতা, তা বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ। এর সঙ্গে বিএনপি জড়িত। কারণ, জঙ্গি সাইফুল ছাত্রশিবিরের কর্মী। তার বাবা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী। আর জামায়াতের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হলো বিএনপি। জামায়াত-বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতা শিবিরের নেতাদের খোলস পাল্টিয়ে নব্য জেএমবি বানিয়েছে। তারা সারা দেশে হামলা চালিয়ে বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়। তাই সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রীদের সাক্ষাতের বিষয়ে বিএনপি নেতাদের সমালোচনার জবাবে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও অন্য মন্ত্রীরা দেখা করবেন—এটাই স্বাভাবিক। বরং দেখা না করাটাই হচ্ছে অস্বাভাবিক। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখানে ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুঁজছেন। তিনি (ফখরুল) পরিণত বয়সে নাবালকের মতো বক্তব্য দিচ্ছেন। মহাসচিবের দায়িত্ব থেকে, পরিণত বয়সে বালকের মতো বক্তব্য দেন, তাতে রাজনীতিবিদ হিসেবে আমি লজ্জিত হই।’

আরও পড়ুন

সর্বশেষ