ডেস্ক রিপোর্ট (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, বিসিবি’র গঠনতন্ত্র কোন ছেলে খেলা নয়। ক্রিকেটের জন্য একটা সুন্দর গঠনতন্ত্র রয়েছে। এটাকে সমুন্নত রাখতে হবে।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে ক্রিকেটে যে সংকট চলছে তা আমরা আদালতের মাধ্যম নিষ্পত্তি করতে পারি। আমরা তা না করে অন্য পথে হাটছি। অথচ বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার সুযোগ আছে। আমরা কিন্তু এভাবে ক্রিকেটের অনেক ক্ষতি করছি।
সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, বোর্ডের দায়িত্বে যিনিই থাকেন না কেন তাকে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে। মোস্তফা কামালের সময় দুর্নীতি কিভাবে হয়েছিল তা দেখাতে হবে। আমার সময় যদি কোন দুর্নীতি হয়ে থাকে তাও দেখতে হবে। তা না হলে অনেকেই এখান থেকে নির্বাচনী ফায়দা নেবে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টায় ক্রিকেট রাজনীতি নিয়ে আয়োজিত টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন। বেসরকারী টেলিভিশন ‘একাত্তর টিভি’ টকশোর আয়োজন করে।
সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, বিপিএলের সার্বিক বিষয়টি নিয়ে আমাদের ভাবা দরকার। আশরাফুলের স্বীকারোক্তির কারণে বিষয়টি পরিস্কার হয়েছে। বিদেশি এক খেলোয়ারকে হাতেনাতে ধরার পরও আমরা কোন ব্যবস্থা সেসময় নেইনি। তবে আমাদের নেয়া উচিত ছিল।
দেশি বিদেশি খেলোয়াড়রা তাদের পারিশ্রমিক পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ করেন বিসিবি’র সাবেক এই সভাপতি। অথচ এসব বিষয়রে এখনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি। বিপিএলে একটা স্বচ্ছতা থাকতে হবে। বিপিএলে কিন্তু আমরা ইন্ডিয়াকে অনুসরণ করছি।
নির্বাচিত বোর্ড থাকার পরও কেন অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়নি তিনি প্রশ্ন রাখেন। এক টেলিফোন শ্রোতার প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজনীতিতে তার পুন:প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। কেননা এরইমধ্যে তিনি রাজনীতির মাঠে ভাল অবস্থান নিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, আমার রাজনৈতিক অবস্থান স্বতন্ত্র। ক্রিকেটের সাথে রাজনীতির কোন সম্পর্ক নেই?
টকশোর শেষে পর্যায়ে তিনি বলেন, আমি চাই সবাই মিলে ক্রিকেটকে সামনে এগিয়ে নিতে। খোলা মন নিয়ে কাজ করতে। বর্তমানে যেভাবে ক্রিকেট বোর্ড পরিচালিত হচ্ছে এরকম দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তিনি সামনে এগিয়ে যেতে পারবেন না বলেও জানান।
পাশাপাশি বর্তমান গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়াতে অসঙ্গতি তুলে ধরতে পারলে পরবর্তীতে সংশোধন করতে পারবেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।




