মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ভারি বর্ষণে পানির নিচে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রামের নিম্নাঞ্চল। শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে ডুবে গেছে দেশের ভোগ্যপণ্যের বৃহত্তম পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ, চাক্তাই, আছাদগঞ্জসহ হালিশহর, আগ্রাবাদ, চান্দগাঁও ও বাকলিয়া এলাকা। জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা। চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট এলাকার বাসিন্দা শহিদুর রহমান বলেন, অফিসে ১০টায় পৌঁছানোর কথা থাকলেও পানির কারণে পৌঁছাতে পেরেছি ১২টার দিকে। রাস্তায় কোনো যানবাহন ছিল না। পানি বেশি হওয়ায় রিকশার দেখাও মিলছিল না। দুই ঘণ্টা পর পানি একটু কমে আসলে রিকশায় দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে আগ্রাবাদ অফিসে পৌছাই। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, চট্টগ্রামে শনিবার রাত থেকে ১২ ঘণ্টায় ৮৭.৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. আতিকুর রহমান বলেন, “মৌসুমী বায়ুর তারতম্যের আধিক্যের কারণে সাগরে বাতাসের তীব্রতা বেশি। তাই চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সাগরের বাতাসের সাথে ময়েশ্চার স্থলে চলে আসায় ও দেশের উপর মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় এ বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আগামী চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে বলেও জানান তিনি। খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ছগির আহমদ বলেন, খাতুনগঞ্জ, চাক্তাই, আছাদগঞ্জ, কোরবানিগঞ্জ, চামড়ার গুদাম এলাকা ও শুটকিপল্লি পুরো ব্যবসায়ীক এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানিতে তার অ্যাসোসিয়েশনের ছয় হাজার ট্রেডিং হাউজ ডুবে গেছে বলে তথ্য দেন এ ব্যবসায়ী নেতা।




