মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
প্রচ্ছদটপট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগে উদ্বিগ্ন প্রবাসী বাঙালিরা

ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগে উদ্বিগ্ন প্রবাসী বাঙালিরা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী বিরোধী একের পর এক পদক্ষেপের মধ্যেই, এবার বৈধ অভিবাসী সংখ্যা কমিয়ে আনার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। কংগ্রেসের গ্রীষ্মকালীন অধিবেশনে এ সংক্রান্ত একটি বিল উত্থপান করা হবে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বিলটি পাস হলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিসহ বৈধ অভিবাসী প্রবেশের সংখ্যা অর্ধেকে নেমে আসবে। ট্রাম্প প্রশাসনের এ-উদ্যোগে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন প্রবাসী বাঙালিরা।

অভিবাসীদের দেশ হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর পারিবারিক কোটায় বিভিন্ন দেশের ১০ নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের সংখ্যাগরিষ্ঠ ৬ মুসলিম দেশের নাগরিকদের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাসহ অভিবাসী বিরোধী বিভিন্ন পদক্ষেপে সেই সংখ্যা অনেকটা কমে এসেছে বলে জানা গেছে।

এরমধ্যেই দেশটিতে বৈধভাবে ভ্রমণের অপেক্ষায় থাকা অভিবাসন প্রত্যাশীদের জন্য নেমে আসছে নতুন খড়গ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অভিবাসী বিরোধী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে বৈধ অভিবাসী কোটা হ্রাসেও আইন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। হোয়াইট হাউস কর্মকর্তাদের বরাতে গণমাধ্যম জানায়, দু’এক মাসের মধ্যেই প্রতিনিধি পরিষদে এ সংক্রান্ত একটি বিল উত্থাপন করা হবে।

বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন যে রিপাবলিকান সিনেটররা সেই টম কটন ও ডেভিড পার্দু জানিয়েছেন রেইজ অ্যাক্ট নামের বিলটি এরই মধ্যে তৈরি করা সম্পন্ন হয়েছে। আমেরিকান শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সুনিশ্চিতে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে কাজ করার কথাও জানান তারা।

যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অভিবাসীর সংখ্যা কমিয়ে আনা সংক্রান্ত বিলটি পাস হলে প্রতিবছর দেশটিতে প্রবেশ করা অভিবাসীর সংখ্যা ১০ লাখ থেকে অর্ধেক কমে ৫ লাখে দাঁড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটিতে বসবাসরত বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা বর্তমানে পরিবারের সদস্যদের সেদেশে নেয়ার সুযোগ পেলেও, পারিবারিক কোটা হ্রাসের পরিকল্পনায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এরই মধ্যে যারা যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, তাদের ভ্রমণ আটকে গেলে পারিবারিক ভাবে ক্ষতির মুখে পড়ার কথা জানান অনেকে। বর্তমান মার্কিন প্রশাসন করদাতা এবং অধিক উপার্জনকারীদের মধ্যেই অভিবাসন এবং নাগরিকত্বদান সীমিত রাখতে চায় বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম। তবে বৈধ অভিবাসীর সংখ্যা হ্রাসের এই বিতর্কিত বিল নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের কঠিন বাধার মুখে পড়তে পারেন রিপাবলিকানরা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ