টানা বর্ষণে চট্টগ্রামের নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন লোকজন। সোমবার সকাল পর্যন্ত নগরীতে ১৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পতেঙ্গা আবহাওয়া দপ্তর। অতিবৃষ্টিতে নগরীর বহদ্দারহাট, বাকলিয়া ও আগ্রাবাদের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পতেঙ্গা আবহাওয়া কার্যালয়ের আবহাওয়াবিদ ফরিদ আহমেদ জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতকর্তা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আজ ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
গতকাল রোববার রাত থেকেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে নগরীতে। এদিকে, সোমবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত সর্বশেষ বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় নিম্নচাপটি আরো অগ্রসর হয়ে ভোলা ও তদসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরো উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে স্থলভাগের দিকে যেতে পারে।
‘নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার সৃষ্টি হয়েছে। বায়ুচাপের তারতম্যের পার্থক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরের ওপর দিয়ে ঝড়ো ও দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। নিম্নচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরার এবং এসব জেলার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর ওপর দিয়ে স্বাভাবিকের চেয়ে এক থেকে দুই ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাস বয়ে যেতে পারে বলেও আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।




